Suvendu Adhikari On BGBS : ‘অশ্বডিম্ব’, বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন নিয়ে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর – suvendu adhikari criticize the initiative of bengal global business summit


মঙ্গলবার রাজ্যে শুরু হয়েছে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন। বঙ্গে লগ্নি টানা এবং কর্মসংস্থানের জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে। কিন্তু, এবার বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনকে চূড়ান্ত কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

তিনি এই উদ্যোগকে ‘অশ্বডিম্ব’ বলে কটাক্ষ করেছেন। নন্দীগ্রামের অনেকেই উচ্চ শিক্ষিত হয়েও চাকরি পাননি বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু। শুধু তাই নয়, রাজ্যের সিঙ্গুরে তৈরি করা একটি কারখানাকে ডাইনামাইট দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য, ন্যানো বিদায়ের পর থেকেই শোরগোল পড়েছিল রাজ্য রাজনৈতিক মহলে। টাটা মোটরসকে জরিমানা দেওয়া নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন পড়ে। শুরু হয়েছিল শাসক-বিরোধী তরজাও। আরবিট্রাল ট্রাইব্যুনাল সিঙ্গুরে কারখানা বন্ধের ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৭৬৬ কোটি টাকা রাজ্যকে টাটা মোটরসের হাতে তুলে দিতে নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি মামলার খরচ হিসেবে আরও এক কোটি টাকা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সবমিলিয়ে প্রায় ৭৬৭ কোটি টাকা পাওয়ার কথা ছিল টাটা গোষ্ঠীর। মামলাটি বর্তমানে উচ্চ আদালতে। শুভেন্দু অধিকারী সম্প্রতি সুর চড়িয়েছিলেন, রাজ্যের কোষাগার থেকে এই ক্ষতিপূরণ দেওয়া হলে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটা হবে।

মঙ্গলবার নন্দীগ্রামে জগদ্ধাত্রী পুজোঅনুষ্ঠানে যোগ দেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই সময় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা নন্দীগ্রামের লোক শিল্প বিরোধী নই। নন্দীগ্রামের জেলিংহামে শিল্প চেয়েছিলাম। কিন্তু, নন্দীগ্রামে যে কায়দায় লক্ষ্মণ শেঠ গ্রামগুলো নিয়ে নিতে চেয়েছিলেন ব্রিটিশের মতো আমরা তার বিরোধিতা করেছি। ২৭টা গ্রাম কেন নিয়ে নেবে ইংরেজদের মতো।’

Suvendu Adhikari : ‘সিন্ডিকেট এখনও চলছে…’, অবৈধ কয়লা খাদান নিয়ে রাজ্যকে দুষলেন শুভেন্দু
তিনি আরও বলেন, ‘নন্দীগ্রামের মানুষ রেলের জন্য জমি দিয়েছে। ৮০ একর জমি দরকার ছিল। ৬৪ একর জমি নন্দীগ্রামের মানুষ দিয়েছে।’ আমি হলদিয়া উন্নয়ন পর্ষদের চেয়ারম্যান থাকাকালীন নন্দীগ্রামে বাইপাস রাস্তা তৈরি করেছি। যতটুকু ক্ষমতা আছে বিধায়ক হিসাবে বা যতটুকু গ্রাম পঞ্চায়েত পেয়েছি তা নিয়ে কাজ করছি।’

পাঁশকুড়ায় স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গুলি করা প্রসঙ্গেও রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনকে কাঠগড়ায় তুলেছেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ‘এর জন্য দায়ী পুলিশ। মৃত সমীর কয়রার দোকানে দু’বার ডাকাতি হয়েছে। ডাকাতদের টার্গেটে ছিলেন তিনি।’ পরিবারের নিরপেক্ষ এজেন্সি দিয়ে তদন্ত করানোর দাবিকে সমর্থ করেন তিনি। পরিবার চাইলে তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *