Upper Primary Recruitment : সুপ্রিমে-মামলা, ধন্দ উচ্চ প্রাথমিকে কাউন্সেলিং নিয়ে – a section of job aspirants approached the supreme court with a request to stop the counseling for recruitment of teachers in upper primary


এই সময়: উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে কাউন্সেলিং বন্ধের আর্জি জানিয়ে এবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন চাকরিপ্রার্থীদের একাংশ। শীর্ষ আদালতে স্পেশাল লিভ পিটিশন দায়ের করেছেন ৩৫ জন চাকরিপ্রার্থী। প্রথম মেধা তালিকায় নাম থাকলেও পরবর্তীতে কোনও কারণ না দেখিয়েই তাঁদের নাম প্যানেল থেকে যেভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে, সেই সিদ্ধান্ত অবৈধ বলে অভিযোগ করা হয়েছে মামলায়।

গত ১৭ অক্টোবর কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এসএসসিকে কাউন্সেলিং শুরুর নির্দেশ দেয়। তবে নিয়োগপত্র এখনই দেওয়া যাবে না বলেও জানিয়ে দেয় হাইকোর্ট। মূলত, সেই সিদ্ধান্তই চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে সর্বোচ্চ আদালতে। এই মামলার জেরে মোট ১৪,৩৩৯টি শূন্যপদে যে কাউন্সেলিং শুরু হয়েছে, তা ধাক্কা খাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

২০১৫ সালে উচ্চ প্রাথমিকের টেট হয়েছিল। পরের বছর ১৪ সেপ্টেম্বর ফলপ্রকাশ ও ২৩ সেপ্টেম্বর নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বের হয়। স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) ২০১৯-এর ৪ অক্টোবর মেধাতালিকা প্রকাশ করে। তাতে অস্বচ্ছতা ও অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিচারপতি মৌসুমি ভট্টাচার্য ২০২০-এর ১১ ডিসেম্বর তা বাতিল করে স্বচ্ছ নিয়োগের নির্দেশ দেন। ২০২১-এর ২১ জুন ফের ইন্টারভিউয়ের তালিকা প্রকাশ হয়। সেখানে প্রথম দফার মেধাতালিকায় একাংশের নাম বাদও যায়। ওই তালিকায় অসঙ্গতির অভিযোগ জানিয়ে দ্বিতীয় তালিকা থেকে বাতিল প্রার্থীরা বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসের দ্বারস্থ হন।

বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় ৮ জুলাই সেই তালিকা বাতিল না করে এসএসসির কাছে অভিযোগ জানানোর অনুমতি দেন মামলাকারীদের। একদল চাকরিপ্রার্থী সেই রায়ের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে যান। বেঞ্চ গত ২০ জুলাই নির্দেশ দেয়, ইন্টারভিউয়ে ডাক পাওয়া প্রার্থীরা ভাইভা দেবেন, ডাক না পাওয়া প্রার্থীরা এসএসসির কাছে অভিযোগ জানাবেন। কোর্টের নজরদারিতেই নিয়োগ প্রক্রিয়া চলবে। সচিব পর্যায়ের আধিকারিকের তদারকিতে কমিশন তাঁদের গ্রিভ্যান্স হিয়ারিং করে বাদ যাওয়ার কারণ জানিয়ে রিজ়ন অর্ডার পাঠায়। বিচারপতি সৌমেন সেনের ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশে কমিশন চলতি বছরের ২৩ অগস্ট ফের মেধাতালিকা প্রকাশ করে। তাদের নির্দেশেই ৬ নভেম্বর থেকে স্কুল বাছাইয়ের কাউন্সেলিং শুরু হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টে মামলাকারীদের আইনজীবী আশিসকুমার চৌধুরী বলেন, ‘যে প্যানেল ধরে নিয়োগের সুপারিশ করা হচ্ছে, তা অস্বচ্ছ। কাউন্সেলিং প্রক্রিয়াকেও চ্যালেঞ্জ করেছেন মামলাকারীরা।’ যদিও অবিলম্বে নিয়োগের বিষয়ে ডিভিশন বেঞ্চে মূল মামলার সঙ্গে আপার প্রাইমারির মেধাতালিকার অন্তর্ভুক্ত যোগ্য প্রার্থীরাও যুক্ত আছেন।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *