লোকসভা ভোটের দামামা বাজার আগেই ফের রাজ্যে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা অমিত শাহ। সেই প্রসঙ্গ টেনে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার প্রতিবাদে এদিন থেকেই বিধানসভা প্রাঙ্গণে ধরনা জোড়াফুলের। আগামীকাল অর্থাৎ বুধবার ও বৃহস্পতিবারও চলবে এই ধরনা। এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সুকান্ত ও শুভেন্দু অধিকারীকে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের কটাক্ষ, ‘কে গব্বর সিং আসছে, মমতার জয় বীরুও তৈরি আছে। এদের পায়ের তলার কোনও জমি নেই। এরা নিজেদের সংগঠন চালাতে পারে না। এবার অমিত শাহজী আসবে এর পায়ে পড়ে এরা কাঁদবে। মোদী ও অমিত শাহ একুশে ডেলি প্যাসেঞ্জারি করেও কিছু করতে পারেননি। এবার একা অমিত শাহ আসবেন, দুশো পার, পগার পার।’
এদিন সকালে বিধানসভায় একদিকে আম্বেদকর মূর্তির নীচে ধরনায় বসে তৃণমূল বিধায়কেরা, অন্যদিকে অধিবেশন কক্ষের সামনে কালো পোশাক পরে প্ল্যাকার্ড হাতে বিক্ষোভ বিজেপি বিধায়কদের। টানা তিন দিন দু’ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ কর্মসূচি রয়েছে জোড়াফুল শিবিরের। বুধবার বিজেপি শূন্য বিধানসভায় কালো পোশাক পরে যোগ দেবেন তৃণমূল বিধায়কেরা।
অন্যদিকে, তৃণমূলের এই কর্মসূচিকে কটাক্ষ বিজেপিরও। লোকসভার আগে শক্তি প্রদর্শনে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না গেরুয়া শিবির । আদালতের সবুজ সংকেত পেতেই জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু হয় বিজেপির। জেলায় জেলায় সভায় জমায়েতে আহবান জানাতে প্রচার সভা থেকে তৃণমূলের একুশের কায়দায় হয় খুঁটি পুজোও। জানা গিয়েছে, বুধবার সভায় যোগ দিতে আসা দলীয় কর্মী সমর্থকদের জন্য বিশ্রামের ব্যবস্থা রয়েছে। শাহি সভার জমায়েত একুশের জমায়েতকে টেক্কা দিতে পারে কি না সেটাই দেখার। তবে তার আগেই শাহি সভাকে ঘিরে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ধর্মতলার সভার আগেই এদিন বিধানসভা থেকে পুরো শীতকালীন অধিবেশনের জন্য সাসপেন্ডেড শুভেন্দু অধিকারী।
