Guest House In Kolkata : অনুমতি ছাড়া কত গেস্ট হাউস, তালিকা তৈরি করছে এনকেডিএ – nkda authorities have started a survey of where guest houses are running without valid permission and license in kolkata


প্রশান্ত ঘোষ
গত কয়েক বছরে ব্যাঙের ছাতার মতো একের পর এক গেস্ট হাউস গজিয়ে উঠেছে নিউ টাউনে। কোথাও আবার কোঅপারেটিভ সোসাইটি বা রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্সের মধ্যেও রমরমিয়ে চলছে গেস্ট হাউসের ব্যবসা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই প্রশাসনের অনুমতি না-নিয়ে গেস্ট হাউসের ব্যবসা চলছে বলে অভিযোগ। এমনকী নিউ টাউন কলকাতা উন্নয়ন পর্ষদ বা এনকেডিএর থেকে কোনও ট্রেড লাইসেন্সও নেওয়া হয়নি এবং কর্মাশিয়াল ট্যাক্সও দেওয়া হয়নি অনেক ক্ষেত্রে। ফলে লক্ষ লক্ষ টাকা রাজস্ব ক্ষতিও হচ্ছে এনকেডিএর। আবার অবৈধ গেস্ট হাউসগুলোর উপর নজরদারিও চালানো যাচ্ছে না।

তাই আয় বাড়াতে এবার এনকেডিএ কর্তৃপক্ষ কোথায় কোথায় বৈধ অনুমতি ছাড়া ও লাইসেন্স না-নিয়ে গেস্ট হাউস চলছে, তার সমীক্ষা শুরু করেছে। এনকেডিএর বিশেষ টিম প্রতিটি ব্লকে ঘুরে দেখছে কোথায় কতগুলি অনুমতি বিহীন গেস্ট হাউস বা পিজি আছে। কবে থেকে, কীভাবে, কার অনুমতিতে চলছে এই গেস্ট হাউসগুলো, তা জানতে চিঠিও ধরানো হচ্ছে।

এনকেডিএ সূত্রে খবর, এই মুহূর্তে নিউ টাউনে দু’শোর বেশি গেস্ট হাউস চলছে। এদের মধ্যে বৈধ অনুমতি আছে মাত্র চল্লিশটি গেস্ট হাউসের। তাদের কাছ থেকেই ট্রেড লাইসেন্স ও কর্মাশিয়াল ট্যাক্স বাবদ টাকা পায় এনকেডিএ। বাকি দেড়শো গেস্ট হাউস থেকে এক পয়সাও আসছে না এনকেডিএ-র ঘরে।

সংস্থার এক শীর্ষ আধিকারিকের বক্তব্য, ‘সাইন বোর্ড ছাড়াই লুকিয়ে চুরিয়ে অনেক গেস্ট হাউস চলছে। আবার অনেক জায়গায় গেস্ট হাউসের সামনে বড় তালা ঝুললেও পিছনের দরজা দিয়ে গেস্ট নিয়ে আসা হচ্ছে।’ তাঁর সংযোজন, ‘শুধু গেস্ট হাউস নয়, বহু আবাসনেও এভাবে ঘর ভাড়া দিয়ে বিভিন্ন পার্টি হচ্ছে। কিন্তু ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার হলেও এসব থেকে এনকেডিএর ঘরে কানাকড়িও জমা পড়ছে না। তাই আমাদের ব্যবস্থা নিতে হচ্ছে।’

Indian Coffee House : কফি হাউসের সেই আড্ডা আজও আছে, নস্ট্যালজিয়ায় কলকাতাকে টেক্কা কোন কোন শহরের?
এর পাশাপাশি নিউ টাউনের তিনটি অ্যাকশন এরিয়ায় স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, শপিং মলের মতো প্রায় ১৬০টি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান আছে। এনকেডিএ-র আইন অনুযায়ী, এই সমস্ত সংস্থা তাদের মোট জায়গার ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করতে পারে। সেক্ষেত্রেও এনকেডিএ-র কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে ও কর্মাশিয়াল ট্যাক্স দিতে হবে। অভিযোগ, বহু সংস্থা বিনা অনুমতিতে নিজেদের চৌহদ্দিতে একাধিক দোকান, ক্যাফে, রেস্তরাঁ, এটিএম চালু করেছে। অথচ এনকেডিএ-কে এজন্য কোনও ট্যাক্স দেওয়া হচ্ছে না। এই সমস্ত সংস্থাকেও চিঠি দিচ্ছে এনকেডিএ। বাড়তি যে জায়গা ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার হচ্ছে, তার জন্য ‘ল্যান্ড ইউজ়ার চার্জ’ নেওয়ার ব্যাপারে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *