Mukutmanipur : প্রি-ওয়েডিং শুটের অনুমতি আরও সহজে মুকুটমণিপুরে, পর্যটকদের জন্য খুলছে তথ্য-সহায়তা কেন্দ্র – a tourist information cum facilitation centre is going to be inaugurated in mukutmanipur where online permission for pre wedding shoots will be available


এই সময়, বাঁকুড়া: পর্যটকদের জন্য একছাতার তলায় সমস্ত পরিষেবা দিতে তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্র খুলছে মুকুটমণিপুরে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই সেখানে একটি ট্যুরিস্ট ইনফরমেশন কাম ফ্যাসিলিটেশন সেন্টারের উদ্বোধন হবে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, থাকা, বেড়ানোর ব্যাপারে যাবতীয় তথ্য তো মিলবেই, একইসঙ্গে সেখান থেকে ওয়েডিং, প্রি-ওয়েডিং সমেত অন্যান্য ফটোশুটের অনলাইন অনুমতিও নেওয়া যাবে।

থাকছে অনলাইন ইকো প্যাডেল সাইকেল বুকিং পরিষেবাও। এই ব্যবস্থা প্রসঙ্গে খাতড়ার এসডিও তথা মুকুটমণিপুর ডেভেলপমেন্ট অথরিটির এগজিকিউটিভ অফিসার নেহা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এতদিন পর্যটকরা মুকুটমণিপুরে এসে কোথায় তথ্য পাবেন তার নির্দিষ্ট কোনও ব্যবস্থা ছিল না। এবার পাকাপাকি ভাবে একটা সেন্টার খোলা হচ্ছে। যেখান থেকে পর্যটকরা বিভিন্ন তথ্য, পরিষেবা ও অনুমতি গ্রহণের সুবিধা পাবেন।’

বাঁকুড়ায় বেড়ানোর কথা উঠলে সবার আগে মনে পড়ে মুকুটমণিপুরের নাম। এক সুতোয় বাঁধা এখানকার জল, জঙ্গল, পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ভ্রমণপ্রিয় বাঙালিকে হাতছানি দেয় বারেবারে। জেলার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে এই মুকুটমণিপুরে রয়েছে এশিয়া মহাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মাটির বাঁধ। ছোট ছোট পাহাড়ে ঘেরা কংসাবতীর নীল টলটলে জলরাশি, সেই সঙ্গে শাল, মহুয়া, সোনাঝুরির জঙ্গল। সারা বছর পর্যটকদের কমবেশি আনাগোনা তো থাকেই। শীতের মরশুমে এখানে রীতিমতো ভিড় উপচে পড়ে। বেড়ানোর পাশাপাশি শীতের মিঠে রোদে জমে ওঠে পিকনিকের আসরও।

বছর কয়েক হলো ডেভেলপমেন্ট অথরিটির হাত ধরে আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে পর্যটনকেন্দ্রটি। নব কলেবরে সেজে উঠেছে চারিধার। পর্যটকদের সহায়তা দিতে এবার সেখানে খুলছে ট্যুরিস্ট ইনফরমেশন কাম ফ্যাসিলিটেশন সেন্টার। কংসাবতী জলাধারের গায়ে মেন রাস্তার উপরেই একটি সরকারি ভবনে সেটি খোলা হচ্ছে। যেখানে থাকবে নানা তথ্য সম্বলিত বোর্ড ও ট্যুরিস্ট গাইড ম্যাপ। প্রদর্শন করা হবে জেলার বিভিন্ন হস্তশিল্প। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকবে কেন্দ্রটি। কোথায় বেড়াবেন, মুকুটমণিপুর ছাড়াও আশপাশে দর্শনীয় স্থান কী কী দেখবেন এবং কোথায় থাকবেন এ সব যাবতীয় তথ্য এখান থেকেই নিতে পারবেন পর্যটকরা।

একইসঙ্গে এই কেন্দ্র থেকে মিলবে অনলাইন ইকো প্যাডেল সাইকেল বুকিং পরিষেবা। যে সাইকেলে চড়ে খানিকটা সময় মুকুটমণিপুর ও আশপাশে ঢুঁ মেরে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা যেতে পারে ফুরফুরে মেজাজে। সেই সাইকেল ভ্রমণের জন্য ইতিমধ্যে চারটি নেচার ট্রেইল বানিয়েছে ডেভেলপমেন্ট অথরিটি। সাইকেলের ভাড়া পড়বে ঘণ্টা পিছু ৫০ টাকা। আর সারাদিনের জন্য ভাড়া লাগবে ৩০০ টাকা। খাতড়ার এসডিও জানিয়েছেন, মুকুটমণিপুরে এই মুহূর্তে পর্যটকদের জন্য ১৪টি ইকো প্যাডেল সাইকেল রাখা হয়েছে। তার মধ্যে কয়েকটি ট্যানডেম অর্থাৎ চালকের দুই আসন ও দু’টি প্যাডেল বিশিষ্টও সাইকেলও রয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *