Upper Primary Teacher Recruitment : গ্রামের স্কুল না-পসন্দ, ৪০ হাজারের শিক্ষকতার চাকরি নিলেন না ৯২ জন – upper primary teacher recruitment92 people did not take the teaching job despite coming to the school service commission office


এই সময়: আড়াই বছর আগে ওঁরা উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে দ্বিতীয় দফার ইন্টারভিউয়ে বসেছিলেন। কলকাতা হাইকোর্টের সম্মতিতে চলতি বছরের ২৩ অগস্ট নিয়োগ প্যানেলে নামও ছিল। কিন্তু সাড়ে তিন মাস পর স্কুল বাছাইয়ের কাউন্সেলিংয়ে হাজারেরও বেশি সফল প্রার্থী গরহাজির। আবার স্কুল বাছাইয়ের জন্য স্কুল সার্ভিস কমিশনের (এসএসসি) অফিসে এসেও শিক্ষকতার চাকরিই নিলেন না আরও ৯২ জন।

কমিশন সূত্রে খবর, স্কুল বাছাইয়ের প্রথম দফার কাউন্সেলিংয়ে এমপ্যানেল্ড ৮৯০০ জন হবু শিক্ষককে ডাকা হয়েছিল৷ তার মধ্যে স্কুল বাছাইয়ে এসএসসি অফিস আসেননি ১০২৫ জন। আরও ৯২ জন কমিশনের অফিসে এসে স্কুল পছন্দ হয়নি বলে চাকরিই প্রত্যাখ্যান করেছেন। কমিশন সূত্রে খবর, পছন্দ না হওয়ার স্কুলগুলির অধিকাংশই গ্রামাঞ্চলেই। ফলে শিক্ষকেরা এই স্কুলগুলিতে চাকরি নিতে চাইছেন না। সব মিলিয়ে ১২ শতাংশ হবু শিক্ষক উচ্চ প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়ায় প্রথম পর্যায়ে চাকরিই নিলেন না। এখন যোগ দিলে বেতন হিসাবে তাঁদের মাসে হাতে পাওয়ার কথা ৩৯,৯১২ টাকা।

এসএসসি-র চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার শনিবার বলেন, ‘কাউন্সেলিংয়ে অনুপস্থিতি এবং চাকরি পেয়েও স্কুলের শিক্ষকতায় যোগ না দেওয়ার কারণে এ বার ওয়েটিং লিস্ট থেকে ১১০০-র তুলনায় অনেক বেশি চাকরিপ্রার্থী দ্বিতীয় দফার কাউন্সেলিংয়ে ডাক পাবে।’ তাঁর সংযোজন, ‘আমাদের এক সপ্তাহ সময় দিতে হবে দ্বিতীয় পর্যায়ের কাউন্সেলিং শুরু করার জন্য বিজ্ঞপ্তি দিতে। একজনের অনুপস্থিতিতে তিনটি পদ ফাঁকা হতে পারে। মাল্টিপল র‍্যাঙ্কিংয়ের কারণে।’

খাস কলকাতার ধর্মতলায় গান্ধী মূর্তি ও মাতঙ্গিনী হাজরার মূর্তির পাদদেশে স্কুলে পঞ্চম থেকে দ্বাদশে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সহ সাত-সাতটি সংগঠনের হাজার-হাজার চাকরিপ্রার্থী নিয়োগের দাবিতে লাগাতার আন্দোলন করছে। তারপরও এত প্রার্থী নিশ্চিত চাকরি পেয়েও শিক্ষকতায় যোগ দিলেন না কেন?

৩৬৩ দিন ধরে অবস্থান আন্দোলনে বসে থাকা আপার প্রাইমারি চাকরিপ্রার্থী মঞ্চের তরফে সুশান্ত ঘোষের যুক্তি, ‘নিয়োগপত্র নিতে না আসা ১১০০ জন চাকরিপ্রার্থীর প্রায় সবাই সরকারি চাকরি বা প্রাথমিক শিক্ষকতা করছেন। মেধা অনুযায়ী, তাঁদের বাড়ির কাছে স্কুলে চাকরির সুযোগই নেই। বাড়ি থেকে চার-পাঁচটি জেলা পেরিয়ে দূরের স্কুলে যেতে হবে। তাই গরহাজির প্রার্থীদের বৃহৎ অংশই কাউন্সেলিংয়ে গরহাজির থেকেছেন। অথবা চাকরি রিফিউড করেছেন।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *