এই সময়, জলপাইগুড়ি: আজব কল! মামলার শুনানির দু’একদিন আগে জল পড়ে। আবার শুনানি শেষে জল পড়া বন্ধ হয়ে যায়! ঠিক কী কারণে প্রয়াত নকশাল নেতা কানু সান্যালের গ্রাম বলে পরিচিত নকশালবাড়ির হাতিঘিষা গ্রাম পঞ্চায়েতের সেবদুল্লা গ্রামের এই অবস্থা, তা জানতে মামলার বাদী ও বিবাদীকে মঙ্গলবার তাঁর এজলাসে ডেকে পাঠিয়েছিলেন জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। সব শুনে আজ বুধবার ওই প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণের ঠিকাদার, শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের এইও, জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের ইঞ্জিনিয়ারদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
২০১৯ সালে সেবদুল্লা গ্রামের জলকষ্ট মেটাতে কেন্দ্রীয় সরকারের জল জীবন প্রকল্পে কাজ শুরু হয়। অভিযোগ, প্রকল্প চালু হলেও গ্রামের ১০৭টি পরিবার পানীয় জল থেকে বঞ্চিত। সমাধান চেয়ে গ্রামের ১০ জন কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। সোমবার মামলাটি উঠেছিল জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে।
২০১৯ সালে সেবদুল্লা গ্রামের জলকষ্ট মেটাতে কেন্দ্রীয় সরকারের জল জীবন প্রকল্পে কাজ শুরু হয়। অভিযোগ, প্রকল্প চালু হলেও গ্রামের ১০৭টি পরিবার পানীয় জল থেকে বঞ্চিত। সমাধান চেয়ে গ্রামের ১০ জন কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। সোমবার মামলাটি উঠেছিল জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে।
আবেদনকারীদের আইনজীবী সন্দীপ মণ্ডল বলেন, ‘সেবদুল্লা গ্রামের জলকষ্ট দূর করতে হাইকোর্টে মামলা হয়। তবে ওই মামলার শুনানির দিন এগিয়ে এলেই জল পড়তে শুরু করে। শুনানি শেষ হলে আবার কল দিয়ে জল পড়া বন্ধ হয়ে যায়। সমস্যার কারণ বুঝতে বিচারপতি আজ মামলাকারীদের তাঁর এজলাসে ডেকে পাঠিয়েছিলেন।’ সরকার পক্ষের আইনজীবী হীরক বর্মন বলেন, ‘অভিযোগ সঠিক নয়। এই প্রকল্পের কাজ এখনও চলছে। মাঝেমধ্যে হাতির হানা কিংবা ভারী যানবাহন চলাচলের জন্য পাইপ ফেটে বিপত্তি হয়।’
