Calcutta High Court News: ভ্যাকসিনকাণ্ডে প্রভাবশালী যোগ? কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার দাবিতে হাইকোর্টের দুয়ারে ভুয়ো IAS দেবাঞ্জন – fake ias debanjan deb move to calcutta high court seeking central force protection


নিজেকে IAS অফিসার হিসেবে পরিচয় দিত এলাকাবাসীর কাছে। শুধু তাই নয়, পুরকমিশনার হিসেবেও পরিচয় দিতে সে। আর সেই ভুয়ো পরিচয়ের প্রভাব খাটিয়েই কোভিডের সময় টিকাকরণ শিবির খুলত ভ্যাকসিনকাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেব। তৃণমূল সাংসদ তথা মিমির অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সম্প্রতি কলকাতা পুলিশের ১১টি মামলায় দেবাঞ্জনের জামিন মঞ্জুর করে কলকাতা হাইকোর্ট।

কিন্তু, ফের একবার আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে ভ্যাকসিনকাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেব। নিরাপত্তার ও তদন্ত CBI-কে হস্তান্তরের আবেদন জানিয়ে আদালতে আবেদন করেছে সে। পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা চেয়েও আবেদন জানিয়েছে সে।

অভিযোগ, কলকাতা পুলিশ এই ঘটনার মাথাদের আড়াল করার চেষ্টা করছে। মামলাকারী আইনজীবীর বক্তব্য, ভ্যাকসিনকাণ্ডে অনেক প্রভাবশালীর নাম উঠে আসায় প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে দেবাঞ্জনের। সেই কারণে তাঁকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক।

ইতিমধ্যেই মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। আগামী বুধবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা। প্রসঙ্গত, গ্রেফতারির প্রায় আড়াই বছর পর গত ১৯ অক্টোবর হাইকোর্ট থেকে জামিন পায় দেবাঞ্জন দেব।

দেবাঞ্জনের ঘটনায় তদন্তে নেমে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে পেয়েছিল কলকাতা পুলিশ। নীল বাতি লাগিয়ে ওই ব্যক্তি ঘুরে বেড়াত, তদন্তে উঠে আসে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। শুধু তাই নয়, ঝাঁ চকচকে অফিস থেকে শুরু করে তার হাবভাব-সবই ছিল একেবারে পদস্থ কোনও সরকারি কর্তার মতোই।

নীল বাতি দেওয়া গাড়ি থেকে শুরু করে ভুয়ো আই কার্ডও উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে মামলা করে ED। শুধু ভুয়ো ভ্যাকসিন শিবির নয়, আর্থিক তছরুপের ক্ষেত্রেও নাম জড়িয়েছিল তার। ২০২১ সালে ২৪ জুন দেবাঞ্জনকে গ্রেফতার করেছিল কসবা থানার পুলিশ।

দেবাঞ্জনের কীর্তিতে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছিল গোটা রাজ্যে। টাকি বয়েজ গভমেন্ট স্কুল থেকে তার পড়াশোনা। মাধ্যমিকে ৮০০ নম্বরের মধ্যে সে পেয়েছিল ৫৬১। এরপর বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা তার। ২০১১ সালে দেয় উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। দেবাঞ্জনের পরিচিতদের কথায়, সে পড়াশোনায় বরাবর বেশ ভালো ছিল। ইংরেজিও বেশ ঝরঝরে বলতে পারত।

কী ভাবে পুলিশ, পুরসভার নজর এড়িয়ে এভাবে ভুয়ো ভ্যাকসিন শিবিরের আয়োজন সে করত? তা নিয়ে উঠেছে বিস্তর প্রশ্ন। এবার সেই দেবাঞ্জনই নতুন করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে। এখন আদালত ঠিক কী নির্দেশ দেয়? সেই দিকে সব নজর।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *