প্রায় এক হাজার লোকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে সেখানে। উত্তর দিনাজপুরে ১০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে এক চিকিৎসক নিজেই হাসপাতালে তৈরি করছেন। শিলিগুড়িতে মেডিকা গ্রুপ ১৫০ শয্যার আরও একটি নতুন হাসপাতালে তৈরি করছে। এর বাইরে পোলট্রি, আবাসন, সৌরবিদ্যুৎ ও অর্কিড মিলিয়ে একগুচ্ছ প্রস্তাব এসেছে। পাট কারখানার মালিক সুব্রত সরকার বলেন, ‘যেখানেই সমস্যায় পড়েছি, রাজ্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগের পরেই সেটা মিটে গিয়েছে।’ ইন্ডিয়ান চেম্বার্স অব কমার্সের উত্তরবঙ্গের চেয়ারম্যান সঞ্জয় গোয়েল বলেন, ‘একটা সময়ে উত্তরবঙ্গের উদ্যোগীরা অন্য রাজ্যে চলে যেতেন। এখন আবার তাঁরা ফিরে আসছেন।’
এদিন সম্মেলন শেষে রাজ্যের মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী বলেন, ‘নতুন উদ্যোগীরা যে ভাবে এগিয়ে আসছেন তাতে মনে হচ্ছে অনেক কিছু হতে পারে এখানে। উদ্যোগীদের সমস্যার কথা জেনে অনেক পদক্ষেপ করা হয়েছে। ফায়ার লাইসেন্সের জন্য আর কলকাতায় দৌড়তে হয় না। পরিকাঠামোয় অনেক উন্নতি করা হয়েছে। বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা করা হচ্ছে।’
পর্যটনকেও শিল্পের আওতায় আনা হয়েছে। সরকারি এই নীতির ফলে রাজ্য সরকার এখন ডিম উৎপাদনে ক্রমশ স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে বলে দাবি করেন তিনি। আগে রাজ্যে বছরে ৪০০ কোটি ডিম আমদানি করতে হত। আগামী বছর থেকে এ রাজ্য থেকেই ডিম যে অন্য রাজ্যে রপ্তানি হবে, সেই ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তিনি। গেইল বারৌনি থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত যে গ্যাসের পাইপ লাইন পাতার কাজে নেমেছে, তারও সুফল পাবে উত্তরবঙ্গ। ১১৮৩ কোটি টাকার এই গ্যাসের পাইপ লাইন পাতা হলে সিটি গ্যাস ডিসট্রিবিউশন ব্যবস্থা চালু হবে শিলিগুড়ি-সহ উত্তরবঙ্গের কয়েকটি শহরে। তার ফলে গ্যাস নির্ভর শিল্পও তৈরি হতে পারে বলে মনে করেন মুখ্য সচিব।
