এদিকে বঙ্গীয় ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা মঞ্চের তরফে শহিদুল্লাহ জানান, আজ দুপুরের দিকে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে তাঁরা আলোচনায় বসবেন। এর আগে গত বছরের মে-তে ঠিক হয়েছিল নাইন-টেনে মোট ১,৯৩২টি এবং একাদশ-দ্বাদশে মোট ২৪৭টি সুপার নিউমেরারি পোস্ট তৈরি করে রাজ্য সরকার বঞ্চিতদের চাকরি দেবে।
তারপর অগস্টে ফের ঠিক হয় আরও ৩,৩৯৮টি সুপার নিউমেরারি পদ তৈরি করে বঞ্চিতদের প্যানেলে থাকা সবার চাকরি নিশ্চিত করা হবে। কিন্তু তা নিয়ে মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। পরে যা সুপ্রিম কোর্টে যায়। শহিদুল্লাহর কথায়, ‘আমরা চাই সেই তৎপরতা দেখিয়ে সরকার মামলার নিষ্পত্তি করে আমাদের নিয়োগ নিশ্চিত করুক।’ এ দিক ছাত্র যুব অধিকার মঞ্চের সুদীপ মণ্ডলের বক্তব্য, ‘অথচ শাসকদল আমাদের সঙ্গে কোনও কথা বলছে না। বিভাজন তৈরি করতে চাইছে।’ যদিও শহিদুল্লাহর পাল্টা বক্তব্য, ‘বৈঠকের পর চাকরি হলে ওঁদের হবে, আমাদেরও হবে।’
এ দিন আবার শাসকদলের অন্দরেও এই চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা মত উঠে এসেছে। শ্রীরামপুরের সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আইন অনুযায়ী প্যানেলের মেয়াদ হয় এক বছরের। এত দিন বাদে কোন আইনের বলে ওঁরা চাকরি পাবেন?’ যদিও বৈঠকের মধ্যস্থতাকারী তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় একজন সিনিয়র আইনজীবী। কিছু আইনি জটিলতা তো আছেই। সেটা নিয়েই উনি বলেছেন।’ এ দিনের বৈঠকে কুণালও থাকবেন বলে সূত্রের খবর।
