HS Examination: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের থেকে নেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ২০০ টাকা! – kanksa gopalpur high school allegedly taken extra fees from higher secondary student


উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের থেকে অতিরিক্ত ২০০ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠল স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এরই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টো থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা ও পরিচালন সমিতির সদস্যদের ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাল কাঁকসা গোপালপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় ১৫০ জন ছাত্রছাত্রী। পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপের জন্য তাদের থেকে ৪০০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে।

যেখানে ফর্ম ফিল আপ করার জন্য ধার্য করা হয়েছে ২০০ টাকা এবং আরও ২০০ টাকা অতিরিক্ত নিয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। আর এই অতিরিক্ত ২০০ টাকা দিতে রাজি নন পরীক্ষার্থীরা। প্রতিবাদে বিদ্যালয়ে শিক্ষিকা ও পরিচালন সমিতির সদস্যদের আটক করে বিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখায় পরীক্ষার্থীরা। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বিদ্যালয় চত্বরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বিদ্যালয় চত্বরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কাঁকসা থানার পুলিশ।শেষমেশ পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এক পড়ুয়া বলেন, ‘অনেকে ৪০০ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি দিয়েছে। ওরা জানত না। আমাকে যখন চাওয়া হল, সেই সময় জানতে চাই কেন এই টাকা নেওয়া হচ্ছে। স্কুলের কাছে কোনও সদুত্তোর ছিল না। শুধু তাই নয়, আমাদের প্রশ্নপত্রের জন্য আলাদা করে টাকা দিতে হবে, এমনটাই বলা হচ্ছিল।’

সত্যিই কি অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছিল? কী জানাল স্কুল?

এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট স্কুলের টিচার ইনচার্জ সুচেতা পোদ্দার জানিয়েছেন, তিনি এই স্কুলে এক বছর সময় ধরে কর্মরতা। গত বছর পরীক্ষার্থীদের থেকে যে পরিমাণ টাকা নেওয়া হয়েছিল, এই বছরও তা নেওয়া হয়েছে। নতুন করে কোনও অর্থ যোগ করা হয়নি বলেও দাবি তাঁর। তিনি আরও বলেন, পরীক্ষার ফি বাদ দিয়ে কোনও অর্থ বেশি নেওয়া হচ্ছে কিনা তা তাঁর জানা নেই।

এদিকে স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি কাঞ্চন লায়েক জানিয়েছেন, বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য তারা ছাত্রদের থেকে পরীক্ষার ফি বাবদ অতিরিক্ত ২০০ টাকা করে নিচ্ছেন। এই বিষয়ে কারও আর্থিক সমস্যা থাকলে তারা লিখিত আবেদন জানালে বিষয়টি বিবেচনা করে দেখা হবে। কিন্তু, স্কুলের উন্নয়ন পুরোটিই সরকারি বিষয়। সেজন্য কোন ভিত্তিতে আলাদা করে পড়ুয়াদের থেকে টাকা নেওয়া হচ্ছে? তা নিয়েও উঠছে একাধিক প্রশ্ন। যদিও এই বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছে পরিচালন সমিতি।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *