Mukutmanipur Dam : দার্জিলিঙের পর রোপওয়ে পাচ্ছে রাজ্যের আরও এক পর্যটনস্থল, খুশি পর্যটকরা – mukutmanipur bankura ropeway may start soon says tmc leader and actor sayantika banerjee


রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রে উজ্জ্বল অবস্থান ‘বাঁকুড়ার রানি’ মুকুটমণিপুরের। সারা বছর প্রচুর মানুষ এই পর্যটনকেন্দ্রে ঘুরতে আসেন। মুকুটমণিপুরের জলাধার পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণ। এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম এই মাটির বাঁধটিকে এবার আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে উদ্যোগী রাজ্যের পর্যটন দফতর।

মুকুটমণিপুরে রোপওয়ে

মুকুটমণিপুরের জলাধার নিয়ে পর্যটকদের মধ্যে বরাবরই আগ্রহ রয়েছে। আরও বেশি পর্যটক টানতে এবার উদ্যোগী রাজ্য পর্যটন দফতর। এই জলাধারের ওপরে একপ্রান্ত থেকে আর এক প্রান্ত জুড়ে তৈরি হবে রোপওয়ে। অর্থাৎ মুকুটমণিপুর থেকে বনপুখুরিয়া ডিয়ার পার্ক যাওয়া যাবে রোপওয়ে দিয়ে। এমন উদ্যোগকে বাস্তব রূপ দিতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন রাজ্যের পর্যটন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান তথা তৃণমূলের তারকা মুখ সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ডিপিআর তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আশা করি দ্রুত এখানে রোপওয়ে চালু করা সম্ভব হবে।

সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, ভাইস চেয়ারম্যান, রাজ্য পর্যটন বোর্ড

মুকুটমণিপুর জলাধারে রোপওয়ে চালু হয়ে গেলে অ্যাডভেঞ্চার প্রেমী প্রেমী পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষনীয় হয়ে উঠবে এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম মাটির বাঁধটি। পাশাপাশি,এখানকার বারোঘুটু পাহাড়ে রকক্লাইম্বিং,জলাধারে ওয়াটার রাইড, বোটিং ও সুইমিংসহ আরও বিভিন্ন স্পোর্টসের ব্যবস্থা হলে পর্যটকদের ভিড় যে উপচে পড়বে, তা বলাই বাহুল্য। এখন দেখার রোপওয়ে তৈরির কাজ চালুর সরকারি ছাড়পত্র কত তাড়াতাড়ি মেলে।

কী বললেন সায়ন্তিকা?

তৃণমূল নেত্রী ও পর্যটন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এই প্রস্তাব অনেকদিন ধরেই উঠছে। আমার কাছেও বহু পর্যটনপ্রেমী মানুষজন রোপওয়ে তৈরির জন্য প্রস্তাব দিয়েছেন। প্রস্তাবকে বাস্তব রূপ দিতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পর্যটন দফতরকে ডিপিআর তৈরির জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, এই রোপওয়ে তৈরির আর্থিক বরাদ্দ কী ভাবে আসবে, তা ঠিক করতে সংশ্লিষ্ট দফতরের সঙ্গে কথা বলব।’

তিনি আরও বলেন, ‘মুকুটমণিপুরে রোপওয়ে তৈরির উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি, জঙ্গলমহলের ঝিলিমিলিকেও ঢেলে সাজানো হবে। এছাড়া বাঁকুড়ার জয়রামবাটি, জয়পুর জঙ্গল, বিষ্ণুপুর, মুকুটমণিপুর এবং শুশুনিয়া, বিহারিনাথ পাহাড় থেকে গাঙদুয়া জলাধার, কোড়ো পাহাড় এই সব মিলিয়ে জেলার মূল পর্যটনকেন্দ্রগুলির উন্নতির জন্য কী করা যায় তা খতিয়ে দেখবে পর্যটন দফতর।’

সারা বছর মুকুটমণিপুরে পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকে। শীতকালে আরও ভিড় বাড়ে পর্যটকদের। রোপওয়ে চালু হলে পর্যটকদের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে আগামী বছরের শুরুতেই শুরু হতে চলেছে মুকুটমণিপুর উৎসব। ৪ থেকে ৬ জানুয়ারি অবধি চলবে মেলা। এই মেলার উদ্যোগে রয়েছে খাতড়া মহকুমা প্রশাসন। এই মেলায় পর্যটকদের ভিড় হবে বলে মনে করা হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *