West Bengal Police : বাংলায় পাকিস্তানি চর, দোকানে বসেই দেশের নিরাপত্তা ‘বিক্রি’! ATS-র জালে যুবক – raiganj young man allegedly working as pakistani spy and sharing confidential information


দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য বিভিন্ন বিদেশে পাচার! তালিকায় রয়েছে পাকিস্তানের নামও। এই গুরুতর অভিযোগে উত্তর দিনাজপুরের করে মুম্বইয়ের অ্যান্টি টেরোরিজম স্কোয়াড বা এটিএস। রবিবার রায়গঞ্জ জেলা আদালতের সিজেএম কোর্টের বিচারকের অনুমতিক্রমে ধৃত যুবককে ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে মুম্বই রওনা দিয়েছে এটিএস। মঙ্গলবার ধৃতকে মুম্বইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হবে বলে জানা গিয়েছে।

কালিয়াগঞ্জে বিদেশি চর!

দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য বিদেশে পাচারের অভিযোগ কালিয়াগঞ্জের বাসিন্দা মুক্তা মাহাতো (২৫)-র বিরুদ্ধে। তাঁকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে মুম্বই এটিএস। ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মহারাষ্ট্রে। যুবকের গ্রেফতারির পর চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গিয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কালিয়াগঞ্জের ভাণ্ডাল এলাকায় কম্পিউটারের দোকান চালাত মুক্তা।

জানা গিয়েছে, দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত তথ্য পাচার করে তার অ্যাকাউন্টে হাজার হাজার টাকা ঢুকেছে। এই ঘটনার কথা জানতে পেরে ঘুম উড়ে যায় তদন্তকারীদের। কালিয়াগঞ্জের মতো গ্রামীণ এলাকায় বসে কী ভাবে দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শত্রু দেশের হাতে তুলে দিল ওই যুবক? এই প্রশ্নের উত্তর ভেবেই কূলকিনারা পাচ্ছে তাঁর পরিবার ও প্রতিবেশীরা৷ বাড়ির লোকজনও ছেলের এই কীর্তি বিশ্বাস করতে পারছে না৷

শুক্রবারই ধৃতকে তোলা হয় রায়গঞ্জ জেলা আদালতে৷ এব্যাপারে সরকারি আইনজীবী পিন্টু ঘোষ বলেন, ‘অফিশিয়াল সিক্রেট আইনে তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে৷ ভারতীয় কিছু গোপন নথি পাচারের অভিযোগ রয়েছে৷ জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছে, মূলত মুম্বই ডক ইয়ার্ডের যেসব জাহাজ আনাগোনা করত সেখানে নজরদারি চালাত তারা। সেখানকার গোপন নথি বিদেশে পাচার করত৷ টাকা লেনদেনেরও প্রমাণ মিলেছে।’

অবাক প্রতিবেশীরা, কী বলছেন ধৃতের বাবা?

ধৃতের বাবা মদন মাহাতো বলেন, ‘আমার ছেলের কম্পিউটারের দোকান রয়েছে। কোনওভাবে আমার ছেলের অ্যাকাউন্টে দু’হাজার ঢুকেছিল। কী ভাবে এল আমরা জানি না। সেখান থেকে সমস্যার সূত্রপাত। আমার তো বস্তার ব্যবসা। মুম্বই থেকে যাঁরা এসেছিল, তাঁরা আমাদের কিছুই বলেনি। তখন আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম। রাতে এসে তুলে নিয়ে গেল। আমার ছেলে কোনও জঙ্গিকার্যলাপের সঙ্গে যুক্ত নয়। মুম্বই নিয়ে নিয়ে গিয়েছে। আমি এর বেশি আর কিছু জানি না। আমার ছেলেও ব্যবসার কাজ করত। কখনও কখনও দোকানে যেত। আমার এইসব কথা বিশ্বাস হয় না।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *