Firhad Hakim : মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ‘আসল’ সান্তাক্লজ! ফিরহাদের মন্তব্য নিয়ে জোর চর্চা – firhad hakim kolkata mayor praises cm mamata banerjee as santa claus


তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষ আস্থাভাজন। দীর্ঘদিন ধরেই মমতার ঘনিষ্ঠ বৃত্তে তাঁকে দেখা যায়। প্রশাসন ছাড়াও দলে তাঁকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে মমতা। বড়দিনের কারণে গোটা রাজ্যজুড়ে উৎসবের আমেজ। আর এই আবহেই ফের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা শোনা গেল পুর ও নগরোন্নন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের গলায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সান্তাক্লজের সঙ্গে তুলনা করেন কলকাতার মেয়র।

কী বললন ফিরহাদ?

শনিবার মুচিবাজারে কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর অনিন্দ্য রাউতের উদ্যোগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফিরহাদ। উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোরপাধ্যায় ও বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্তকেও তাঁর সঙ্গে একই মঞ্চে দেখা যায়।

সেই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে উঠে ফিরহাদ বলেন, ‘ছোটবেলা রাত জেগে বসে থাকতাম, সান্তাক্লজ কখন উপহার দেবে! পরেরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখতাম চকোলেট বা উপহার রাখা। হয়তো বাবা-মা সান্তাক্লজের ভূমিকা পালন করে উপহার দিতেন। সেই সময় মনে প্রশ্ন জাগত সান্তাক্লজ কি সত্যি আসেন? এখন উপলব্ধি করি সান্তাক্লজ সত্যিই আসেন।’


ফিরহাদ আরও বলেন, ‘সান্তাক্লজ শুধু ক্রিসামাসের সময় নয়, সারা বছরই থাকেন। অর্থের অভাবে ছোট ছোট মেয়েদের পড়াশোনা বন্ধ হলে সান্তাক্লজ তাদের কন্যাশ্রীর কার্ড দেন। টাকার কারণে গরিব বাবারা যখন মেয়ের বিয়ে দিতে পারেন না, তখন তাঁদের রূপশ্রী দেন সান্তাক্লজ। অসুস্থতার সময় বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য স্বাস্থ্যসাথী কার্ডও দেন তিনি। বাংলায় একজন সান্তাক্লজ রয়েছেন, যিনি মানুষকে সব কিছু দিয়েছেন। বাংলার সান্তাক্লজের নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উৎসবের দিনে প্রভুর কাছে প্রার্থনা করি, আমাদের সান্তাক্লজকে যেন আরও অনেক দিন বাঁচিয়ে রাখেন। সুস্থ-সবল রাখেন।’

উৎসবে সম্প্রীতির বার্তা

উৎসবের আবহে সম্প্রীতির বার্তা দিতেও ভোলেননি কলকাতার মেয়র। তিনি বলেন, ‘দুর্গাপুজোর সময়ও আমরা সবাই অংশগ্রহণ করি। ঈদের নমাজ পড়ার সময়ও আমরা সবাই যাই। আমি যেমন যাই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও সব অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যাও সব ধর্মের অনুষ্ঠানে যায়। বড়দিনও একসঙ্গে পালন করে। একটা কথা সবার মাথায় রাখা উচিত। ধর্ম আলাদা হলেও উৎসব সবার… আমার দুই মেয়ে নিউ ইয়র্ক থেকে ক্রিসমাসে এখানে চলে এসেছে। ওঁরা জানিয়েছে, ওখানের তুলনায় বড়দিনে কলকাতায় অনেক বেশি মজা হয়। কারণ মার্কিন মুলুকে ঠান্ডায় সবাই বাড়ির ভিতর ক্রিসমাস পালন করেন।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *