Christmas Day 2023 : ফের চোখ রাঙাচ্ছে কোভিড, তাই মাস্ক হাতে হাজির সান্তা – covid 19 spreading in west bengal santa claus appeared with a mask


এই সময়: চেহারায় তেমন কোনও ফারাক নেই। পরনে লাল পোশাক-টুপি, সেই সিগনেচার দাড়ি। কিন্তু এ সান্তা বুড়োর গলায় যে স্টেথোস্কোপ! বড়দিনের সকাল থেকে দুপুর এক এলাকা থেকে আর এক এলাকায় কেক বিলি তো করলেনই সঙ্গে দিলেন মাস্কও। তিন বছর আগের এক ডিসেম্বরে চোখ রাঙানি শুরু হয়েছিল নভেল করোনাভাইরাসের। দুনিয়া জুড়ে খেল দেখিয়ে কিছুটা শান্ত হয়েছিল সে। কিন্তু ২০২৪-এর আগে ফের নতুন রূপে চোখ রাঙাচ্ছে কোভিড।

ফলে মাস্ক হাতে ফের সান্তা বেরিয়েছেন সচেতনতার সহজপাঠ পড়াতে। পেশায় চিকিৎসক অজয়কুমার মিস্ত্রি সোমবার খিদিরপুর এবং পার্ক স্ট্রিটে কেকের সঙ্গে বিলি করলেন মাস্ক। অজয়বাবুর বার্তা— উৎসবের সময়ে মানুষ ভিড় করে এবং সাবধানতা অবলম্বন করতে ভুলে যায়। সে জন্যই এমন কর্মসূচি। চলবে নতুন বছরের প্রথম দিন পর্যন্ত।

চিকিৎসক অজয়ের বাড়ি জোকা এলাকায়। নিজের চেম্বারের পাশাপাশি তিনি একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হাসপাতালের সঙ্গেও যুক্ত। সেই সূত্রেই তাঁকে ছুটতে হয় কাকদ্বীপ থেকে বাঁকুড়া। তিনি জানান, প্রতি বছরই পথশিশু এবং অনুন্নত এলাকায় কেক বিলি করেন তাঁরা। কোভিডের সময় কিছুটা ভাটা পড়েছিল। তিনি বলেন, ‘কোভিডের স্মৃতি আমাদের মনে এখনও দগদগে। কোভিড আমাদের যে শিক্ষা দিয়ে গিয়েছে, তা যেন আমরা ভুলে না যাই। বছরের শেষে সারা দেশের সঙ্গে বাংলাতেও নতুন করে কোভিড বাড়তে শুরু করেছে।’

খিদিরপুরে পথশিশুদের মাস্ক বিলি করার ফাঁকে অজয় বলেন, ‘কোভিডের বিরুদ্ধে লড়তে গেলে আমাদের এখনও অস্ত্র সেই সচেতনতা— দূরত্ববিধি, মাস্ক আর স্যানিটাইজ়ারের ব্যবহার। উৎসবে মাতোয়ারা হয়ে আমরা যেন সেটা না ভুলে যাই। সে জন্যই এই মাস্ক বিলি।’

Firhad Hakim Covid 19 : ‘সায়েন্সের ছাত্র নই কিন্তু…’, কোভিডের বাড়বাড়ন্ত রুখতে পরামর্শ ফিরহাদের, শুরু চর্চা
গত পাঁচ দিন ধরে জঙ্গলমহল এবং ওডিশা লাগোয়া এলাকায় মাস্ক বিলি করে কোভিড নিয়ে সচেতনতার প্রচার করেছেন অজয় এবং তাঁর সংস্থার সঙ্গীরা। এদিন কলকাতায় হলেও ১ জানুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন জেলা এবং সুন্দরবনের একাধিক এলাকায় মাস্ক বিলির পরিকল্পনা রয়েছে তাঁদের। এদিন বেশিরভাগই এন-৯৫ মাস্ক বিলি করা হয়েছে।

যেগুলি একাধিক বার ব্যবহার করা যাবে। পাশপাশি বিলি করা হয়েছে সার্জিক্যাল মাস্কও। অজয় বলছেন, ‘সান্তা সেজেছি বাচ্চাদের মজা দিতে। কিন্তু বড়দিনের উপহার হিসেবে কোভিডের বিনাশই চাইছি। আর সচেতনতার বিষয়টা সাধারণের সচেতনার উপরেই ছেড়ে রাখতে হচ্ছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *