কী বললেন মমতাবালা?
এদিনের সমাবেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র ও কেন্দ্রীয় সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মমতাবালা। তিনি বলেন, ‘ মোদীজিকে বলি এই সমাবেশ ট্রেলার। বীণাপানি দেবীর নানে শপথ করে বলছি অন্যায় হলে মতুয়ারা ডঙ্কা নিয়ে দিল্লি যাবে। দেশ ভাগের চেষ্টা করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারকে ধিক্কার জানাই। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরুর সময়ের কাগজ আমরা বের করেছি, সেখানে স্পষ্ট লেখা রয়েছে যে আমাদের এই দেশ থেকে কেউ তাড়াতে পারবে না। আমাদেরকে এখন অনুপ্রবেশকারী বলা হচ্ছে। বিজেপির ঝান্ডা আপনারা নিন, আপত্তি নেই। কিন্তু মনে রাখুন যারা প্রকৃত মতুয়া, তারা বিজেপি করতে পারে না।’
প্রকৃত মতুয়ারা বিজেপি করতে পারেন না
মমতাবালা ঠাকুর, প্রাক্তন সাংসদ
মমতাবালা আরও বলেন, ‘রাজ্যপালের কাছে ডেপুটেশন দিতে চেয়েছিলাম। সরকার আসবে যাবে। কিন্তু আইন থাকবে। দরকারে আমাদের গুলি করে মারুন। কিন্তু তিলে তিলে মারতে পারবেন না। রাজ্যপালকে ইমেল করেছিলাম, সময় চেয়েছিলাম। কিন্তু অনুমতি দেননি। আমরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে যাব। আমাদের অধিকার নিয়ে খেলা করার কারও অধিকার নেই। আমরা দিল্লি যাব। অনশনে বসব। মোদী বা অমিত শাহ এমন কিছু করবেন না, যাতে আরও একটা বাংলাদেশ তৈরি হয়।’
শান্তনুকে নিশানা মমতার?
কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরকে নিশানা করেন মমতাবালা। তিনি বলেন, ‘শান্তনু ঠাকুর এই বংশের কুলাঙ্গার। কে তোমায় অধিকার দিল রাম মন্দিরের জন্য এখানকার জল মাটি পাঠাতে? সেই জল-মাটি ফেলে দেওয়া হল। কে বলেছিল পাঠাতে? এর জবাব শান্তনু ঠাকুর পাবে। সে নাকি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। এদিকে মিথ্যা রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলছে। বিজেপি আবার ক্ষমতায় এলে মতুয়ারা সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হবে। আমরা ভারতের মূল বাসিন্দা, আদি বাসিন্দা। সেই আমাদের আইন করে নাগরিকত্ব দিতে হবে? এইসব আমরা মেনে নেব না। দরকার হলে দিল্লিতে গিয়ে অনশনে বসব।’
