Nandigram School : পড়ুয়া ভর্তির নামে দুর্নীতি! কাঠগড়ার প্রধান শিক্ষক, তোলপাড় নন্দীগ্রাম – nandigram school guardians alleged that head master is involve in corruption


রাজ্যের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন উঠেছে। প্রশ্নের মুখে পড়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা। এর মধ্যেই এবার স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ভর্তি ফি বাবদ অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে। এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে নন্দীগ্রামে।

ঠিক কী ঘটনা?

বিক্ষোভ, আন্দোলনের পীঠস্থান নন্দীগ্রাম। জমি আন্দোলনের ঘটনা রাজ্য ও দেশের কাছে বিশেষ জায়গা করে রয়েছে। সেই নন্দীগ্রামে এবার স্কুলে শিক্ষা ব্যবস্থা বেনিয়মের অভিযোগ। ভর্তির নামে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ায় নন্দীগ্রামে স্কুলে বিক্ষোভ। তুমুল উত্তেজনা ছড়ায় গোটা এলাকায়। স্কুলে বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

শুক্রবার নন্দীগ্রামের মহম্মদপুর শিবনারায়ণ শিক্ষায়তনে বিক্ষোভ দেখান অভিভাবকরা। অভিযোগ, স্কুলের প্রধান শিক্ষক পড়ুয়াদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে ভর্তি করাচ্ছে। ভর্তির পাশাপাশি একাধিক অভিযোগ রয়েছে অভিভাবকদের। অবিলম্বে স্কুলের প্রধান শিক্ষককে গ্রেফতার ও স্কুলে নিয়ম অনুসারে ভর্তি করার দাবি তুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তারা। বিক্ষোভের কারণে উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ঘটনাস্থলে নন্দীগ্রাম থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছায়। অভিভাবকরা পোস্টার হাতে নিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিত স্বাভাবিক হয়। যদিও অভিভাবকদের যাবতীয় অভিযোগের কথা অস্বীকার করেছে স্কুলের প্রধান শিক্ষক। তাঁর দাবি, স্কুলে এই ধরনের কোনও দুর্নীতি হয়নি।

কী বলছেন অভিভাবকরা?

নিতাই বেরা নামের এক অভিভাবক বলেন, ‘স্কুলে শিক্ষকদের বেতন সরকার মেটাবে। সেটা তো ছাত্রছাত্রীদের মেটানোর কথা নয়। ছাত্রছাত্রীদের ভর্তির সময় তাদের থেকে কেন টাকা নেওয়া হবে। পঞ্চম থেকে অষ্টম শ্রেণি অবধি এই স্কুলে ৮০০ জন পড়ুয়া রয়েছে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ভর্তি ফি বাবদ ২৪০ টাকা নেওয়ার কথা। তার বদলে নেওয়া হচ্ছে ৮০০ টাকা। শতবর্ষ উদযাপনের নামে টাকা নেওয়া হচ্ছে। যাঁরা জমি দিয়েছেন তাঁরা শতবর্ষের অনুষ্ঠানে স্থান পেল না। কিন্তু সেখানে শাসকদলের নেতাদের আমন্ত্রণ করা হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ জানাই। সেই কারণেই আমাদের এই বিক্ষোভ।’ মিডডে মিল নিয়ে অভিভাবকদের বিস্তর অভিযোগ রয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *