আরও বিপাকে সুবল, কাঁথি পুরপ্রধানের বিরুদ্ধে এবার অনাস্থা কাউন্সিলরদের!


কিরণ মান্না: আরও বিপাকে সুবল মান্না। কাঁথি পুরসভার পুরপ্রধান সুবল মান্নার বিরুদ্ধে এবার অনাস্থা আনতে চলেছেন দলীয় কাউন্সিলররা-ই। মিলেছে রাজ্য শীর্ষ নেতৃত্বের অনুমতিও। শিশির অধিকারীকে প্রণাম ঠুকে, তাঁকে গুরুদেব বলে সম্বোধন করেছিলেন সুবল মান্না। সেই ঘটনায় দলের অসন্তোষের কারণ হন তিনি। দলের শাস্তির কোপে পড়েন তিনি। তাঁকে পুরপ্রধানের পদ থেকে ইস্তফার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাঁকে শোকজও করে জেলা তৃণমূল। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর দিতে বলা হয়েছিল তাঁকে।

কিন্তু তিনি দলের কোনও নির্দেশ-ই মানেননি। দলীয় নির্দেশ না মানা, পুরসভার কাউন্সিলরদের সঙ্গে সুসম্পর্ক না রাখা, দলীয় কর্মীদের ভাবাবেগে আঘাত করা ইত্যাদি নানা ইস্যুতে সুবল মান্নার বিরুদ্ধে তৃণমূল কংগ্রেসের ১৬ জন কাউন্সিলর কাঁথি সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি পীযূষ পন্ডার হাত ধরে গতকাল অভিযোগ জানান রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীকে।এরপরই সুবল মান্নার বিরুদ্ধে অনাস্থা আনায় অনুমতি দেয় রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেস। শীর্ষ নেতৃত্বের সেই নির্দেশে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে এসে পৌঁছেছে। জেলা তৃণমূল কংগ্রেস জানিয়েছে যে কাউন্সিলাররা অনাস্থা আনতে পারবেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে খুব শিগগির-ই সুবল মান্নার বিরুদ্ধে অনাস্থা আনতে চলেছেন কাউন্সিলরগণ। 

অপরদিকে সুবল মান্না তিনি বারেবারেই দাবি করছেন যে, তাঁকে দলীয়ভাবে কোনও চিঠি বা নির্দেশ দেওয়া হয়নি। তাই তিনি পুরসভার কাজ করে যাচ্ছেন। এপ্রসঙ্গে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি পীযূষ পন্ডা বলেন, সুবল মান্না মিথ্যা কথা বলছেন। দলে থেকে বিরোধীদের সঙ্গে আঁতাত করে চলেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দু’চারদিনের মধ্যেই অনাস্থা আনবে দল। এদিকে এই টানাপোড়েনের মধ্যেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী কটাক্ষ করেছেন, নিজেদের মধ্যে গুতোগুঁতি লেগে গেছে, চেয়ারম্যানকে পদ ছাড়তে বলেছে, তিনি ছাড়ছেন না। কাঁথি পুরসভার ভোটে ভোট লুঠ করে জেতার ফল এখন বেরচ্ছে।

আরও পড়ুন, Bhangar: ভোটমুখী ভাঙড়ে বড় ধাক্কা শাসকদলের! তৃণমূল ছেড়ে ISF-এ ১৩

(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের AppFacebookWhatsapp ChannelX (Twitter)YoutubeInstagram পেজ-চ্যানেল)





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *