Gold Loan : গোল্ড লোন নিয়ে ঝুঁকি, ম্যানেজারের ‘কারসাজি’-তে বিপাকে গ্রাহকরা! তোলপাড় হুগলি – hooghly gold loan company manager involve in fraud police started probe


রাজ্যে একের পর এক প্রতারণার ঘটনা ঘটেই চলেছে। সাইবার প্রতারণার ঘটনাও রোজকার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এবার নতুন এক অভিযোগ সামনে এসেছে। এবার একটি গোল্ড লোন সংস্থার ম্যানেজারের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের আমানত তছরুপের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হুগলির উত্তরপাড়ায়।

কী ঘটনা?

উত্তরপাড়ার স্বর্ণ ঋণ দানকারী সংস্থায় জমা থাকা গ্রাহকদের সোনার গয়না ও নগদ তছরুপের অভিযোগ ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। উত্তরপাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের। অভিযুক্ত পলাতক। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে খবর, গত দুদিন ধরে উত্তরপাড়ার জেকে স্ট্রিটের বেসরকারী স্বর্ণ ঋণ দানকারী সংস্থায় লেনদেন বন্ধ। অডিট হচ্ছে বলা হয় গ্রাহকদের। সেই জন্য কাউকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।

শুক্রবার বিকালে উত্তরপাড়া থানায় সংস্থার ম্যানেজার সঞ্জীব দত্তর বিরুদ্ধে অভিযোগ করে কর্তৃপক্ষ। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগে সঞ্জীবের বিরুদ্ধে তছরুপের অভিযোগ আনা হয়েছে। ছয় মাস অন্তর অডিট হয় সংস্থার শাখা গুলিতে। সেই অডিটে ধরা পরে আর্থিক তছরুপের বিষয়টি।

গতকাল ম্যানেজারকে নিয়ে গভীর রাত পর্যন্ত হিসাব কষতে বসে দেড় লাখ টাকার গরমিল ধরা পড়ে। ম্যানেজার নিজের থেকে সেই টাকা মিটিয়ে দেন। তাঁকে গাড়ি করে হাওড়ার মালি পাঁচঘরার বাড়িতে দিয়ে আসা হয়। শনিবার সংস্থার ভল্ট খুলতে চোখ কপালে ওঠে কর্তৃপক্ষের। প্রায় কোটি টাকার সোনার গায়েব রয়েছে বলে জানানো হয় পুলিশকে। তবে সোনার মোট পরিমাণের হিসেব এখনও স্পষ্ট করে বোঝা যাচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের অনুমান অঙ্কটা কয়েক কোটি ছাড়াবে। অভিযোগ পাওয়ার পর উত্তরপাড়া থানার পুলিশ ম্যানেজারের বাড়ি মালি পাঁচঘড়ায় গিয়ে দেখে বাড়ি তালা দেওয়া।

পুলিশ জানিয়েছে, সংস্থার সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ রেখে অভিযুক্ত ম্যানেজার সোনার গয়না সরিয়ে নিতেন। তাই সিসিটিভিতেও মেলেনি কোনও ফুটেজ। নিরাপত্তারক্ষীরা কিছু বলতে গেলে তাঁদের ধমক দিয়ে চুপ করিয়ে দিতেন। গয়না নিয়ে বাইরে বিক্রি করেছেন নাকি তা বাইরে খাটিয়ে বাজার থেকে টাকা তুলছেন ম্যানেজার, তা খতিয়ে দেখা হবে।

দুশ্চিন্তায় রয়েছেন গ্রাহকরা

খুব প্রয়োজনে এই ধরনের ঋণ দানকারী সংস্থার দ্বারস্থ হন গ্রাহকরা। সোনার গহনা বন্দক রেখে ঋণ নেন সাধারন মানুষ। সেই সোনাও সুরক্ষিত নয় বলে মনে করছেন গ্রাহকরা। সংস্থার গ্রাহক অনির্বাণ রায়চৌধুরী বলেন, ‘বাড়িতে কিছু সমস্যার জন্য গহনা বন্দক দিয়ে টাকা নিয়েছিলাম। এখন শুনছি ম্যানেজার সোনা নিয়ে চলে গিয়েছে। রক্ষকই যদি ভক্ষক হয় তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় যাবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *