Kunal Ghosh : ‘মমতা রামকৃষ্ণ, অভিষেক বিবেকানন্দ’, আদি-নব্য দ্বন্দ্বে নতুন ব্যাখ্যা কুণালের – kunal ghosh compared mamata banerjee and abhishek banerjee with shri ramkrishna and swami vivekananda


বড়দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘সান্তা ক্লজ’ বলেছিলেন কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘রামকৃষ্ণ’ এবং দলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘বিবেকানন্দ’-এর সঙ্গে মেলালেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। রামকৃষ্ণ দেবের বাণী প্রচারে যেভাবে মুখ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন তাঁর শিষ্য স্বামী বিবেকানন্দ। তেমনই, তৃণমূলের দলগত প্রচারে মমতার পথ অনুসরণ করবেন অভিষেক, এমনটাই দাবি কুণাল ঘোষের।

কী বললেন কুণাল?

কুণাল ঘোষ বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হচ্ছেন রামকৃষ্ণ এবং অভিষেক হচ্ছেন বিবেকানন্দ। রামকৃষ্ণের অনেক ভক্ত ছিলেন কিন্তু মানুষ বিবেকানন্দের মুখ দিয়ে রামকৃষ্ণের কথা শুনতে চেয়েছিলেন। সেই ভাবে মমতার উন্নয়নের কথা মানুষ অভিষেকের মুখ থেকে শুনতে চায়।’

শনিবার অনেকটা একই ব্যাখ্যা দিয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। তিনি এই বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে জানান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নতুন করে একটি নবজোয়ার যাত্রা করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সরকারি কাজ সামলে বর্তমানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে জোর প্রচারে নামা সম্ভব নয়। সেই কারণে, তাঁর ‘মুখ’ হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রচারে নামার ব্যাপারে আবেদন জানানো হয়েছিল।

অভিষেকের সঙ্গে বৈঠক

প্রসঙ্গত, শনিবার সন্ধ্যায় দলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বৈঠক করেন কুণাল ঘোষ, ব্রাত্য বসু, পার্থ ভৌমিক সহ দলের একগুচ্ছ নেতা। সেই বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রে নিজেকে ‘সীমাবদ্ধ’ রাখবেন বলে একটি সূত্র জানায়। বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা শুরু হয়েছে দলেরই অন্দরে।

Kunal Ghosh On Rajeev Kumar : ‘কারও নির্দেশে আমার মতো নির্দোষের জীবন নষ্ট করবেন না’, রাজীব কামব্যাকে বিস্ফোরক কুণাল
অন্যদিকে, কংগ্রেসের সঙ্গে নির্বাচনী সমঝোতা নিয়ে নতুন কোনও আপডেট নেই বলে জানান কুণাল ঘোষ। কুণাল এদিন জানান, মমতা এই বিষয়টি দেখছেন। তিনি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন। তিনি উপযুক্ত সময়ে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবেন। দিল্লির কংগ্রেস ও বাংলার কংগ্রেসের সঙ্গে অবস্থানের পার্থক্য আছে। তৃণমূলের সঙ্গে সহযোগিতা করতে সনিয়া গাঁধী রাহুল গান্ধী চাইছেন। কিন্তু প্রদেশ কংগ্রেস বিজেপির দালালের কাজ করছে। ২০২১ সালে কংগ্রেস এই রাজ্যে শূন্য পেয়েছে। বাংলায় কংগ্রেসের কোনও গুরুত্ব নেই। কিন্তু বৃহত্তর স্বার্থে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কথা বলছেন এবং যথাযথ সময়ে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবেন। উল্লেখ্য, ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কংগ্রেসে আসন সমঝোতা নিয়ে সিদ্ধান্ত জানানোর ব্যাপারে আর্জি জানানো হয়েছিল।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *