Firhad Hakim News: আচমকাই বাড়ল কোমরের ব্যথা, হাসপাতালে ভর্তি মেয়র ফিরহাদ হাকিম – kolkata mayor firhad hakim admitted in hospital due to back pain


হাসপাতালে ভর্তি কলকাতা পুরসভার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। জানা গিয়েছে, মারাত্মক কোমরের যন্ত্রণায় কাবু হন তিনি। পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় তাঁকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ফিরহাদ হাকিম রাজ্যের অন্যতম রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। বিভিন্ন মিটিং-মিছিলের জন্য তাঁকে রাজ্যের একপ্রান্ত থেকে ছুটে বেড়াতে হয় আরেক প্রান্তে। আর এর জন্য মাইলের পর মাইল হাঁটেন তিনি। ফিরহাদ হাকিম রাজ্যের অন্যতম ফিট অ্যান্ড ফাইন নেতা। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবরে উদ্বেগে রয়েছেন অনুগামীরা।

ঠিক কী হয়েছে ফিরহাদ হাকিমের?

জানা গিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় তাঁর কোমরের যন্ত্রণা অসহ্য পর্যায়ে পৌঁছানোয় তড়িঘড়ি তাঁকে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বাইপাসের ওই বেসরকারি হাসপাতালে সূত্রে খবর, তাঁর কোমরে একটি বিশেষ ইনজেকশন দেওয়া জরুরি। মূলত সেই জন্যই অন্তত একদিন তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হবে। তবে আপাতত শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে মহানাগরিকের। কেবলমাত্র ওই ইনজেকশনটি দিতেই আপাতত এক রাতের জন্য তাঁকে ভর্তি করানো হয়েছে হাসপাতালে। সব ঠিক থাকলে মঙ্গলবারই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে।

উল্লেখ্য, কলকাতা পুরসভার মেয়র হিসেবে ২০১৮ সালে পদত্যাগ করেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। শুধু মেয়র হিসেবে নন, তিনি রাজ্য়ের মন্ত্রী পদও ছেড়েছিলেন। সেই সময় ফিরহাদ হাকিমকেই কলকাতার মহানাগরিক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়। ছয় মাসের মধ্যে কলকাতা পুরসভার উপনির্বাচনে জয়ী হন তিনি।

এরপর থেকে শহরের মহানাগরিক পদে রয়েছেন ফিরহাদ। মেয়র হিসেবে তিনি ‘টক টু মেয়র’ কর্মসূচি শুরু করেছিলেন। যেখানে সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে তাঁকে ফোন করে নিজেদের সমস্যার কথা জানাতে পারবেন শহরবাসী। এই অনুষ্ঠানে ব্যাপক সাড়া পাওয়া গিয়েছে। বহু মানুষের সমস্যার সমাধান হয়েছে এই অনুষ্ঠানে ফোন করে।

এদিকে সম্প্রতি তৃণমূলের নবীন প্রবীণ দ্বন্দ্বে উল্লেখযোগ্য মন্তব্য করেছিলেন ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেছিলেন, ‘দলের রাশ কোথাও যাচ্ছে না।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই শেষ কথা বলে মন্তব্য করেছিলেন তিনি। ফিরহাদ হাকিম আরও বলেন, ‘বাংলার মানুষ বামেদের বিকল্প রাজনীতিক হিসেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পছন্দ করেন। মানুষের মাঝে থেকেই তাঁদের সঙ্গে কাজ করে নেতা হওয়া যায়। আন্দোলন করে নেতা হতে হয়। আর তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হয়েছেন। ভগবান তাঁকে শতায়ু দিক। যতদিন তিনি জীবিত তিনিই থাকবেন।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *