Bidhannagar Municipal Corporation: ই-বর্জ্য সংগ্রহে বসছে ড্রপবক্স, পুনর্ব্যবহারে টার্গেট দূষণ কমানোর – bidhannagar municipal corporation takes initiative to install e waste dropboxes in salt lake


শ্যামগোপাল রায়

নষ্ট হয়ে যাওয়া, বাতিল বৈদ্যুতিন সরঞ্জাম বা ই-বর্জ্যের পরিমাণ সল্টলেকে ক্রমেই বাড়ছে। যার ফলে বাড়ছে বাতাসে দূষণের মাত্রাও। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, এর ফলে বিভিন্ন রোগ বাড়ছে। সমস্যা ঠেকাতে এ বার সল্টলেক জুড়ে ই-বর্জ্য সংগ্রহ করে তা দিয়ে আবার নতুন সামগ্রী বানানোর পরিকল্পনা করেছে বিধাননগর পুরনিগম। সে কথা মাথায় রেখে সল্টলেকের কিছু জায়গায় ই-ওয়েস্ট ড্রপবক্স বসানোর কাজ শিগ্‌গিরি শুরু হতে চলেছে।

এই ব্যাপারে পুরনিগমকে একটি সংস্থা সহায়তা করবে। পুরসভা ই-বর্জ্য সংগ্রহ করে সে সব তুলে দেবে ওই সংস্থাকে। তাদেরই দায়িত্ব হলো, ওই ই-বর্জ্য দিয়ে নতুন সামগ্রী তৈরি করা। কোথায় কোথায় ড্রপবক্স বসানো হবে, কী ভাবে এই বিষয়ে প্রচার চলবে, সেই ব্যাপারে পুর আধিকারিকদের সঙ্গে সম্প্রতি বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র পারিষদ (পরিবেশ) রহিমা বিবি বৈঠকও করেছেন।

E-Dustbin

পুরকর্তাদের অনেকেরই বক্তব্য, এতদিন এই ব্যাপারে কড়াকড়ি হয়নি ঠিকই, তবে বর্তমান পরিস্থিতি যে জায়গায় দাঁড়িয়েছে, তাতে বৈদ্যুতিন বর্জ্যের পুনর্ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা খুব জরুরি। করোনাকালে বৈদ্যুতিন বর্জ্যের পরিমাণ বহুগুণ বেড়েছে। এখন প্রায় সব সংস্থাই তথ্যপ্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল। কিন্তু প্রবণতা হলো, ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, মোবাইল ফোন, ক্যামেরা, প্রিন্টার-সহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিন সরঞ্জামের আয়ু শেষ হলে বা খারাপ হলে সে সবের গুরুত্বপূর্ণ অংশ বিক্রি করে বাকি অংশ রাস্তার একপাশে ফেলে দেওয়া হয়।

বিধাননগর পুরনিগমের এক কর্তা বলছেন, ‘আমরা চাইছি, সে সব জিনিস রাস্তায় না-ফেলে তা ফের ব্যবহারযোগ্য করে তোলা হোক কিংবা নতুন জিনিস তৈরি হোক।’ তাঁর কথায়, ‘ড্রপবক্সগুলো এমন জায়গায় বসানো হবে, যাতে সবার সুবিধে হয়। কেন ই-বর্জ্য যেখানে-সেখানে না-ফেলে নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলা জরুরি, সেই ব্যাপারেও আমরা প্রচার করব। ই-বর্জ্যের ক্ষতিকর দিকগুলো নিয়েও প্রচার চালানো হবে।’

Bidhannagar Municipal Corporation: বেআইনি আবাসন ভাঙার কাজ পুরনিগমের
পরিবেশবিজ্ঞানী অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘এই ধরনের বর্জ্য মাটির সঙ্গে সহজে মেশে না। জলে মিশে জলকেও বিষাক্ত করে তোলে। আবার এতে অনেকে আগুন ধরিয়ে দেন। বহু বৈদ্যুতিন সরঞ্জামে থাকা তামা থাকে। তামা আগুনে পুড়লে ক্ষতিকর রাসায়নিক মিশ্রিত ধোঁয়া তৈরি হয়। যা ফুসফুসের পক্ষে মারাত্মক ক্ষতিকর।’ পরিবেশকর্মী সুভাষ দত্তর বক্তব্য, ‘সল্টলেকের মতো আধুনিক শহরে কেন এতদিন এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, সেটাই প্রশ্ন। এই ব্যবস্থা অনেক আগেই চালু হওয়া প্রয়োজন ছিল।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *