সোমবার সকালে অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনের লাইভ স্ট্রিমিং করার উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন এবিভিপি সংগঠনের কর্মীরা। সেই সময় এবিভিপি কর্মীদের বচসা শুরু হয় বাম ছাত্র সংগঠনের কর্মীদের। অশান্তি শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের উপর আক্রমণ করা হয় বলেও অভিযোগ ওঠে।
এই ঘটনার প্রতিবাদে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে মিছিলের তোড়জোড় করে বাম ছাত্র সংগঠনের সদস্যরা। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এবং রেজিস্ট্রারকে হেনস্থা করার প্রতিবাদে এই মিছিলের ডাক দেন তাঁরা। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নং গেট থেকে মিছিল শুরু করার তোড়জোড় করেন তাঁরা।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নং গেটে পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। পুলিশের সঙ্গে চরম বচসা, ধ্বস্তাধ্বস্তি শুরু হয় বাম ছাত্রদের। শুরু হয় ধাক্কাধাক্কি। বাম ছাত্র সংগঠনের তরফে জানানো হয়, আজকে কলকাতায় একাধিক মিছিলের আয়োজন করা হলেও তাঁদের কেন অনুমতি দেওয়া হবে না। অন্যদিকে, পুলিশের তরফে জানানো হয়, এই মিছিলের জন্য আগে থেকে কোনও অনুমতি ছিল না।
পুলিশের তরফে বাধা প্রদান করা হলেও প্রচুর বাম ছাত্র সংগঠনের কর্মী, সমর্থকরা গেটে হাজির হন। তাঁরা পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল শুরু করে দেন রাস্তায়। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এক পড়ুয়া বলেন, ‘’ আমরা এখানে সম্প্রীতির মিছিল করতে চেয়েছি। ছাত্রদের গণতান্ত্রিক অধিকার আছে মিছিল করার। কিন্তু, অপদার্থ পুলিশ আমাদের আটকে দেয়। তার প্রতিবাদেই এই মিছিলের আয়জন করা হয়েছে।’
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাম ছাত্র সংগঠনের তরফে এই মিছিলে কয়েকশো ছাত্র-ছাত্রী সামিল হয়। বাম ছাত্র সংগঠনের এক সদস্যের বক্তব্য, ‘রাম মন্দির প্রতিষ্ঠা করে আমাদের দেশে বিভাজনের রাজনীতির শুরু করা হচ্ছে। সেই আবহ ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে আমাদের কলেজ ক্যাম্পাসেও। তার প্রতিবাদে আমার মিছিলের আয়োজন করেছিলাম। কিন্তু, সরকারের পোষিত পুলিশ আমাদের জোর করে মিছিল আটকেছে।