এরপর কেটে গিয়েছে বহু বছর। ইতিমধ্যেই মৃত্যু হয়েছে পার্কস্ট্রিটকাণ্ডের অভিযোগকারীর। কলকাতা হাইকোর্টে জামিনের জন্য আবেদন করেছিলেন পার্ক স্ট্রিট ধর্ষণে মূল অভিযুক্ত কাদের খান। কিন্তু, সোমবার তা খারিজ করে দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। পাশাপাশি উচ্চ আদালতের নির্দেশ তিন মাসের মধ্যে নিম্ন আদালতকে বিচার শেষ করে রায় ঘোষণা করতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে এই ঘটনায় অন্য তিন জন অভিযুক্তকে কলকাতা নগর দায়রা আদালত দশ বছরের কারাদণ্ডের কথা ঘোষণা করে। ২০১৫ সালে ১৩ মার্চ পার্কস্ট্রিটকাণ্ডে নির্যাতিতার মৃত্যু হয় এনসেফ্যালাইটিসে। যদিও ২০১৬ সালে কলকাতা হাইকোর্টে নির্যাতিতার বাবা আবেদন করেছিলেন যাতে সাজার মেয়াদ বাড়ানো হয়।
একনজরে পার্কস্ট্রিট ধর্ষণকাণ্ডের ঘটনাক্রম
৫ ফেব্রুয়ারি একটি অভিজাত ক্লাবের সামনে থেকে এক মহিলাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ। ৯ ফেব্রুয়ারি অভিযোগ দায়ের করা হয় পার্কস্ট্রিট থানায়। ১৮ ফেব্রুয়ারি ঘটনায় অভিযুক্ত তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়। ফেরার ছিলেন কাদের খান এবং মহম্মদ আলি নামক দুই অভিযুক্ত। ওই বছরই ১০ মে ওই পাঁচজনের বিরুদ্ধে হয় চার্জশিট।
এই ঘটনায় তিন বছর পর ২০১৫ সালে ১৩ মার্চ এনসেফ্যালাইটিসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় নির্যাতিতার। ১১ ডিসেম্বর নাসির খান, সুমিত বাজাজ এবং রুমান খানের দশ বছরের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।
সেই সময় টলিউডের এক জনপ্রিয় অভিনেত্রীর সঙ্গে কাদেরের নাম জড়ানোয় তুঙ্গে ওঠে বিতর্ক। এরপর প্রায় চার বছর পলাতক ছিলেন কাদের। ২০১৬ সালে গাজিয়াবাদে ধরা হয় কাদের এবং আলিকে এবং ২০১৮ সালে তাদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হয়। এবার তিন মাসের মধ্যে নিম্ন আদালতকে বিচার শেষ করে রায় ঘোষণার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এবার তিন মাসের মধ্যে নিম্ন আদালতকে বিচার শেষ করে রায় ঘোষণার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এই নির্দেশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
