Madhyamik Exam : ইভটিজিংয়ে নাজেহাল, ঘরছাড়া মাধ্যমিক ছাত্রী – a madhyamik student and his family are homeless due to fear of eve teasing in namkhana


এই সময়, নামখানা: দিনের পর দিন মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ছাত্রীকে লক্ষ্য করে চলত নানারকম কটূক্তি। প্রতিবাদ জানিয়ে কোনও সুরাহা না মেলায় অবশেষে পরিবারের লোকজনকে সে কথা জানিয়েছিল ছাত্রী। কিন্তু প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে গত সোমবার অভিযুক্ত নাবালক প্রতিবেশী ও তার পরিবারের হাতে আক্রান্ত হন পরীক্ষার্থীর বাবা।

অভিযুক্ত কিশোরের পরিবারের লোকজনের হুমকিতে আতঙ্কে বাড়িছাড়া হতে হয় ওই ছাত্রী ও তার পরিবারকে। নামখানা থানায় অভিযোগ দায়েরের পর পুলিশ বৃহস্পতিবার সকালে অভিযুক্ত কিশোর ও তার বাবাকে আটক করেছে।

আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে মাধ্যমিক পরীক্ষা। এই পরিস্থিতিতে বাড়ি ফিরতে পারছেন না ছাত্রী ও তার পরিবারের কোনও সদস্য। পরীক্ষা দেওয়া ঘিরেও কার্যত অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের জন্য অভিযুক্তদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হচ্ছে। ছাত্রী ও তার পরিবারের লোকজনদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হবে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রের খবর, প্রায় এক বছর ধরে ছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করছিল প্রতিবেশী ওই নাবালক। সম্প্রতি সেই পরিস্থিতি চরমে পৌঁছয়। ওই কিশোরের ভয়ে প্রয়োজনে বাড়ির কাজে বাইরে পর্যন্ত বের হতে পারছিল না কিশোরী।

অভিযোগ, গত সোমবার ওই ছাত্রীর বাড়িতে গিয়ে ওই যুবক অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। ছাত্রীর বাবা প্রতিবাদ করলে অভিযুক্ত কিশোর ও তার বাবা তাঁকে শাবল দিয়ে মাথায় মারে বলে অভিযোগ। ছাত্রীর বাবা মাটিতে লুটিয়ে পড়লে প্রতিবেশীরা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে নামখানার দ্বারিকনগর প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। পরে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে স্থানান্তরিত করা হয় কাকদ্বীপ মহকুমা হাসপাতালে।

Madhyamik Admit Card : মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে গাফিলতি! হাইকোর্টের নির্দেশে সুরাহা ছাত্রীর, জরিমানা স্কুলকে
ছাত্রীর মা জানিয়েছেন, ‘মেয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে। আর এক সপ্তাহ পরেই পরীক্ষা। কিন্তু আতঙ্কে মেয়ে কোচিং ও টিউশনে যেতে পারছে না। সবাই এখন বাড়ি ছাড়া।’ ছাত্রীর মায়ের অভিযোগ, তাঁর মেয়েকে অ্যাসিড দিয়ে পুড়িয়ে মারার হুমকি দেওয়া হচ্ছে প্রতিবেশী ওই কিশোর ও তার পরিবারের লোকজনের পক্ষ থেকে। পরিবারের সবাইকেও প্রাণে মারারও হুমকি দিচ্ছে বলে দাবি তাঁর। প্রাণের ভয়ে আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে ওই পরীক্ষার্থী ও তার পরিবার।

আতঙ্কিত ছাত্রী বলে, ‘আমি পরীক্ষা দিতে চাই। সমস্ত বই এবং নোটস বাড়িতে রয়েছে। ওদের ভয়ে আমরা কেউ বাড়িতে ফিরতে পারছি না। পুলিশ আমাদের সকলের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করলে বাড়িতে ফিরে পরীক্ষায় বসতে পারব।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *