Contractual Group D Order : চুক্তিভিত্তিক গ্রুপ ডি কর্মীদের তথ্য তলব, শীঘ্রই বড় সিদ্ধান্ত? – west bengal agriculture department seeks contractual group d staff details


এবার সমস্ত চুক্তিভিত্তিক গ্রুপ ডি কর্মীদের তথ্য চাইল কৃষি দফতর। সূত্রের খবর, এই সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য চেয়ে জেলার উপ অধিকর্তাদের একটি নির্দিষ্ট চিঠিও দেওয়া হয়েছে। সেখানে জেলা অফিসগুলিতে চুক্তিভিত্তিক যে সমস্ত গ্রুপ ডি কর্মীরা রয়েছে তাঁদের বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। কেন হঠাৎ করে এই তথ্য তলব? তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। একই সঙ্গে আরও প্রশ্ন উঠে আসছে, তবে কি শীঘ্রই এই প্রসঙ্গে নেওয়া হতে পারে বড় কোনও সিদ্ধান্ত?

কী ভাবে এই তথ্য তলব করা হয়েছে?
জানা গিয়েছে, নির্দিষ্ট প্রোফর্মাতে এই গ্রুপ ডি (চুক্তিভিত্তিক) কর্মীদের তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে। তাঁরা কোন অফিসে কাজ করে, এই মুহূর্তে তাঁরা কত টাকা বেতন পান এই সমস্ত তথ্য থেকে শুরু করে এইচআরএম কোডও জানানোর কথা বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দফতরে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগের প্রস্তাব মন্ত্রিসভাতে পাশ হয়। রাজ্য মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়ার পর বিভিন্ন সরকারি দফতরে চুক্তিভিত্তিক কর্মী নিয়োগ করা হয়।

কয়েকদিন আগেই রাজ্যের মুখ্যসচিব বি পি গোপালিকা সমস্ত দফতরের সচিবদের একটি চিঠি দেন। আর সেখানেই তিনি বলেন, বিভিন্ন সরকারি দফতরের পাশাপাশি তাঁদের অধীনে থাকা সংস্থা, স্বয়ংশাসিত সংস্থা, পুরসভা, পঞ্চায়েত দফতরগুলিতে ২০১১ সালের মে মাসের থেকে যে সমস্ত নতুন কর্মী রয়েছে তাঁদের তথ্য চাওয়া হয়েছিল। স্থায়ী কর্মীদের পাশাপাশি চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের তথ্যও জানতে চাওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

কেন হঠাৎ এই তথ্য সংগ্রহ?

কেন হঠাৎ এই কর্মীদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে? তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। কর্মীদের মধ্যেই প্রশ্ন উঠছে, চুক্তি ভিত্তিক নিযুক্ত কর্মীদের কি গ্রুপ সি পদে প্রোমোশনের কথা ভাবা হচ্ছে? রাজ্যের প্রশাসনিক মহলের একাংশের কথায়, এই নিয়ে কয়েক বছর আগেই নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেই সময় রাজ্যের কৃষি দফতর মাধ্যমিক পাশ এবং তাঁর থেকে বেশি ডিগ্রি থাকা কর্মীদের একটি নির্দিষ্ট তালিকা তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছিল।

অফিস টাইমে কাজ না করে ‘হাওয়া খেতে’ বেরোলেই কোপ! সরকারি কর্মীদের ‘সবক’ শেখাতে বিশেষ উদ্যোগ
তবে সেই সময় পদোন্নতির বিষয়টি কার্যকরী হয়নি। তবে আগেই চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের বয়সের সীমা ৬০ বছর করা হয়েছিল। স্বাভাবিকভাবেই নতুন করে এই তথ্য তলব নিয়ে প্রশাসনিক স্তরে একগুচ্ছ প্রশ্ন উঠছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *