১২ আসনের ঝালদা পুরসভায় পাঁচটি করে আসন পায় কংগ্রেস ও তৃণমূল। দু’টি আসন পান নির্দল প্রার্থীরা। পরবর্তী কালে একের পর এক ঘটনা ঘটে যায় এই পুরসভায়। প্রথমে খুন হন কংগ্রেস কাউন্সিলার তপন কান্দু। তাঁর মৃত্যুতে উত্তাল হয় রাজ্য রাজনীতি। নিহত তপনের কেন্দ্রে উপনির্বাচন হলে জয় পান তাঁর ভাইপো মিঠুন কান্দু। সেই সময়ে কংগ্রেসের সমর্থনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন নির্দল কাউন্সিলার শীলা চট্টোপাধ্যায়। পরে তিনি তিন কংগ্রেস কাউন্সিলার মিঠুন কান্দু, বিজয় কান্দু এবং পিন্টু চন্দ্রকে নিয়ে যোগ দেন তৃণমূলে।
তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন আরও এক নির্দল কাউন্সিলার সোমনাথ কর্মকার। এবারও চেয়ারম্যান পদে রয়ে যান শীলা। তবে তাঁকে মানতে পারেননি তৃণমূলের পুরোনো পাঁচ কাউন্সিলার সুরেশ আগরওয়াল, সুদীপ কর্মকার, জবা মাছুয়ার, পূর্ণিমা বাগতি ও রিজুয়ানা খাতুন। দলীয় হুইপ অমান্য করে তাঁরা কংগ্রেসের দুই কাউন্সিলার পূর্ণিমা কান্দু এবং বিপ্লব কয়ালের সমর্থন নিয়ে অনাস্থা আনেন শীলার বিরুদ্ধে। ৭-০ ভোটে অপসারিত হন শীলা। ফের নতুন চেয়ারম্যান মনোনয়নের জন্য কংগ্রেসের বিপ্লব কয়ালকে সঙ্গে নিয়ে এদিন পুরসভার সভাকক্ষে বৈঠক করা হলো। এদিন অবশ্য অনুপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস কাউন্সিলার প্রয়াত তপন কান্দুর স্ত্রী পূর্ণিমা কান্দু।
তবে ঝালদার চেয়ারম্যান নির্বাচন অবৈধ বলে দাবি করেছেন শীলা চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যরা সুরেশের পক্ষে ছিলেন না।’ দলীয় নির্দেশের বিরুদ্ধে গিয়ে ঝালদায় চেয়ারম্যান করা নিয়ে জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া বলেন, ‘বিষয়টিকে আমরা হালকা ভাবে নিচ্ছি না।’