TMC Kolkata : ‘বিবেকবোধ থাকলে এবার টাকা দিক’, বকেয়া নিয়ে BJP-কে তোপ ডেরেক-কুণালের – tmc mp derek o brien attacks bjp government after mamata banerjee announcement of mgnrega wages payment


দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় একটি ঐতিহাসিক দিন ছিল শনিবার। কেন্দ্রের বঞ্চনাকে ছাপিয়ে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বকেয়া মেটানোর ঘোষণাকে এভাবেই ব্যাখ্যা করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন। তাঁর কথায়, ‘বিজেপি একটি আর্থিক যুক্তরাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস’ চালাচ্ছে দেশে। তাঁর বিরুদ্ধে গিয়ে ‘ঐতিহাসিক’ সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।

শনিবার কলকাতার ধরনা মঞ্চ থেকে রাজ্যে একশো দিনের কাজের প্রকল্পে শ্রমিকদের টাকা রাজ্য তহবিল থেকে দেওয়ার ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় ২১ লাখ মানুষকে তাঁদের অ্যাকাউন্টে টাকা দিয়ে দেওয়ার কথা জানানো হয়। তারিখও জানিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে টাকা দিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করেন তিনি। তাতে, কেন্দ্রের আসুক বা না আসুক, রাজ্য সরকার বঞ্চিত শ্রমিকদের পাশে দাঁড়াচ্ছে – এমন বার্তাই উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর মুখে।

কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে এদিন ডেরেক জানান, বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রীয় সরকার কি এখনও টাকা আটকে রাখবে? তাঁর কথায়, ‘আমরা এখনও ধরনা চালিয়ে যাচ্ছি। তার কারণ হল, বিজেপির সামান্যতম বিবেক যদি থাকে তাহলে তাঁরা কি ন্যায্য টাকা দেবে? তাঁরা যদি প্রাপ্য বকেয়া ফেরত দেয়, তাহলে আমরা আমাদের ধরনা তুলে নেব।’

ডেরেকের ব্যাখ্যা, ‘কালকের দিনটি যুক্তরাষ্ট্রীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার ক্ষেত্রে একটি বড় দিন। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী কথা দিয়েছিলেন, কথা রেখেছেন। তবে বিজেপির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চলছিল এবং চলবে।’ বকেয়া নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস সুর চড়ালেও বিজেপি ক্যাগ রিপোর্টকে খাড়া করে তৃণমূলের বিরোধিতা শুরু করেছে। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরেও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ‘ক্যাগ রিপোর্ট থেকে প্রমাণিত হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা মমতা চুরি করেছে।’ ধরনাকে কার্যত ‘নাটক’ বলে দাবি করেন শুভেন্দু।

CPIM West Bengal : ‘এতদিন দেননি কেন?’ বকেয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় ‘ভোটের খেলা’ দেখছে সিপিএম
পালটা এদিন তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র কুণাল ঘোষ জানান, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর কেন্দ্র ও রাজ্য দুই তরফের আধিকারিকদের মধ্যে বৈঠক হয়। সেখানে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেটের কথা তোলেন নি। কুণাল বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক ভাবে ক্যাগ এমন ধরনের কথা বলছে, ২০০২-০৩ সালকে এই হিসেবের মধ্যে ঢুকিয়ে দিচ্ছে। যাতে বিরোধীরা সেটাকে অপব্যবহার করার সুযোগ পায়। এমনভাবেই সেটাকে উপস্থাপন করা হচ্ছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *