অজিত নায়েক জানান, কনভার্টেড প্যানেলে ২৮৮ জনের নাম রয়েছে। আর ঠিকানা চিহ্নিত কার যায়নি এমন আরও ২৬ জন রয়েছেন। তাঁদের সমস্ত নথি থাকলেও বাড়ির ঠিকানা নেই। সেটা এদিনই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানান হবে বলে জানান ডিপিএসসি-র চেয়ারম্যান। তাঁরাও এর মধ্যে অনর্ভুক্ত হবেন। ফলে সংখ্যাটা গিয়ে দাঁড়াচ্ছে ৩১৪ জনে। এছাড়া অ্যাডিশনাল প্যানেলে রয়েছে ৫০ জনের নাম। তাদের নামও এদিনই প্রকাশ করা হয়। প্রত্যেকের নিয়োগ পত্র আজই ইস্যু করা হবে বলেও জানান তিনি। এদিন অনশনকারীদের আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেওয়ার অনুরোধও জানান ডিপিএসসি-র চেয়ারম্যান।
এদিকে প্যানেল প্রকাশের পর এক দেবাশিস বিশ্বাস নামে আন্দোলনকারীরা বলেন, ‘ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ ছিল এই প্যানেল মেরিট অনুযায়ী হবে। এই প্যানেল মেরিট অনুযায়ী হয়েছে কি না সেটা পর্যালোচনা করে দেখতে হবে। আমার মুখ্যমন্ত্রী সঙ্গে দেখা করার জন্য ১০ বছর ধরে চেষ্টা করছি। কিন্তু ১ মিনিটের জন্যও দেখা করতে পারিনি।’ এদিন অনশন মঞ্চে গিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দেখা করেন কুণাল ঘোষ।
প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহের শুক্রবার থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রাথমিক শিক্ষা সদর দফতরের সামনে আমরণ অনশনেরর ডাক দেন ২০০৯-এর চাকরি প্রার্থীরা। মোট ১৮৩৪ জনের প্যানেল প্রকাশের দাবিতে, আমরণ অনশনে বসেন তাঁরা। পরপর কয়েকজন মস্তক মুণ্ডনও করেন। ডিপিএসসি ভবনের ঠিক উলটো দিকে, অনশন মঞ্চে বসে মাথা কামিয়ে প্রতিবাদ জানান তাঁরা।
তবে এই জট কাটার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছিল সোমবারই। তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ সোমবার সন্ধ্যায় এক্স হ্যান্ডেলে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এবং শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর উদ্যোগে নিয়োগে জট কেটে গিয়েছে। মঙ্গলবার চাকরি প্রার্থীদের কাছে নিয়োগপত্র যাওয়া শুরু হবে। তারপরেই দেখা গেল এদিন সাংবাদিক বৈঠক করে প্যানেল প্রকাশ করা হল।
