এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘১১ লাখ বাড়ি, যাঁরা জেনুইন, সত্যিই গরীব, অনেক রিভিউ করে, ১৫৭ টিম পাঠিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার, এগুলিকে জেনুইন কেস বলে ক্লিয়ার করেছিল। তাদের কাছে চিঠিও চলে গিয়েছে। কিন্তু আজ পর্যন্ত সেই টাকা তারা পায়নি। আমরা বাজেটে প্রভিশন রেখেছি। আমরা একমাস অপেক্ষা করব, তার মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার যদি টাকা ছাড়ে তাহলে ওয়েল অ্যান্ড গুড, আর যদি না ছাড়ে তাহলে পয়লা মে থেকে এই ১১ লাখ বাড়ির টাকা আমার ছাড়ব। তাছাড় দুয়ারে সরকার ও সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীতও ৩-৪ লাখের মতো আবেদন পত্র এসেছে, তাদেরটাও আমার বিবেচনা করে দেখব।’
আমরা একমাস অপেক্ষা করব, তার মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকার যদি টাকা ছাড়ে তাহলে ওয়েল অ্যান্ড গুড, আর যদি না ছাড়ে তাহলে পয়লা মে থেকে এই ১১ লাখ বাড়ির টাকা আমার ছাড়ব।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
এর আগে বিভিন্ন সময় আবাস যোজনায় দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। যা নিয়ে ব্যাপক শোরগোলও পড়ে গিয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে। আবার অতীতে এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকাকে চিঠিও দিয়েছে রাজ্য। কেন্দ্রের অংশের টাকা না আসায় বাড়ি তৈরি করা সম্পূর্ণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে সেই সময় জানান হয় চিঠিতে। সেক্ষেত্রে এদিন মুখ্যমনন্ত্রীর এই ঘোষণা আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
এদিন ১০০ দিনের কাজের টাকা নিয়েও এদিন বলতে শোনা যায় মমতাকে। এর আগে ১০০ দিনের কাজের টাকা রাজ্য দেবে বলে ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। এদিন সেই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলা ১০০ দিনের কাজে ১ নম্বরে ছিল, বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্প এটা।’ এর আগে রেড রোডের ধরনা মঞ্চ থেকে ঘোষণাটি করেছিলেন তিনি। সেই দিন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, ‘আন্দোলন তো চলছে। কেন্দ্রীয় সরকার ভাবছে বাংলাকে ভাতে মারব। আমি আমার প্রথম পদক্ষেপ আজ বলে যাই। ২১ লক্ষ মদজুরকে, যাদের টাকা কেন্দ্রীয় সরকার দেয়নি, আমাগী ২১ ফেব্রুয়ারি তাদের টাকা তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে চলে যাবে। তাদের টাকা রাজ্য সরকার দেবে।’
