২০২৪-২৫ সালের অর্থবর্ষে কল্পতরু মমতা। যুবক-যুবতীদের কর্ম সংস্থানের জন্য বিভিন্ন সরকার এবং সরকার নিয়ন্ত্রিত সংস্থাগুলির কাছে চেষ্টা করা হচ্ছে। এবার থেকে কর্মশ্রী প্রকল্পে জব কার্ড হেল্ডারদের ৫০ দিন কাজ দেবে সরকার। ২১ ফেব্রুয়ারি ২১ লাখ জব কার্ড হোল্ডারের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণামাত্র। আর এই টাকা মেটানোর জন্য ৩৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।
পাশাপাশি রাজ্যের বাইরে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকেরা যাঁদের নাম কর্মসাথী পরিযায়ী শ্রমিক পোর্টালে নথিভুক্ত আছে তাঁদের স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। ভিন রাজ্যে কর্মস্থলের হাসপাতালে স্বাস্থ্য সাথী প্রকল্পের মাধ্যমে ওই পরিযায়ী শ্রমিকেরা চিকিৎসা পাবেন। ওই খাতে ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হচ্ছে। ২৮ লাখের বেশি পরিযায়ী শ্রমিক উপকৃত হবেন বলে বাজেটে জানানো হয়েছে।
এছাড়াও সমুদ্রসাথী প্রকল্পে দু’মাস নথিভুক্ত ফিশারম্যানরা মাসিক ৫০০০ ভাতা পাবেন। এই খাতে বরাদ্দের পরিমাণ ২০০ কোটি টাকা। উল্লেখ্য, রাজ্য়ের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বাজেট পেশ করার সময় বিরোধীরা এদিন শোরগোল করেন। স্পিকার একাধিকবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে সচেতন করেছিলেন।
এরপর স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উল্লেখযোগ্য ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ‘বাজেটের সমালোচনার অধিকার বিরোধীদের রয়েছে। বাজেট সরকার পেশ করছে। কেন্দ্র সরকারও বাজেট পেশ করে। সেই সময় আমরাও মন দিয়ে শুনি। আগে শুনে নেবেন তারপর এই নিয়ে সমালোচনা করবেন।’
বাজেট চলাকালীন হট্টোগোল কোনওভাবেই বরদাস্ত করা যাবে না, এমনটাই জানান বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে সচেতন করেন তিনি। এই বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতাও জেনারেলদের জন্য ১০০০ টাকা এবং তফশিলি জনজাতিদের জন্য ১২০০ টাকা করার কথা ঘোষণা করেছেন।
