Momo Kolkata : মন খারাপের অবসান, ফের খুলল কলকাতায় ‘মোমোর জনক’ টিবেটিয়ান ডিলাইট – tibetan delight momo restaurant reopening from tuesday after west bengal pollution control board clearance


কলকাতা শহরকে মোমো খেতে শিখিয়েছিলেন তাঁরাই! চৌরঙ্গীর গলি পেরিয়ে একফালি দোকানটি হয়ে উঠেছিল তিব্বতি খাবারের স্বর্গরাজ্য। তিব্বতি খাবারের হাতেখড়ি দেওয়া সেই ‘টিবেটিয়ান ডিলাইট’ ঝাঁপে লাঠি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল। কিন্তু, খাদ্য রসিকদের জন্য সুখবর! বাধা কাটিয়ে ফের খুলতে চলেছে ‘টিবেটিয়ান ডিলাইট’।

সাদা-কালো জমানার তিব্বতি খানার এই ঠেকের হাফ সেঞ্চুরি হতে আর বছর ছয়েক বাকি। এর মধ্যে নানা ব্যবসায়িক নিয়ম-কানুনের গেরোয় পড়তে হয়েছে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষকে। এর মধ্যে ফের রাজ্য পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ডের একটি নোটিশ দেখেই মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষের। রেস্তরাঁর কিচেনের চিমনি করতে হবে কার্যত আকাশচুম্বী। আশেপাশের বহুতলের থেকেও বাড়াতে হবে চিমনির উচ্চতা। এই নোটিশের পরেই নষ্টালজিক রেস্তরাঁর বন্ধ হয়ে যাওয়ার পথে হেঁটেছিল। অবশেষে, সমস্যা কাটিয়ে ওঠা গিয়েছে।

রেস্তরাঁর তরফে প্রশান্ত মুখিয়া বলেন, ‘আমরা পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ডের নির্দেশিকা অনুযায়ী কাজ করছি। এরপরেই আজ, মঙ্গলবার থেকে আমাদের রেস্তরাঁ পুনরায় চালু করার ব্যাপারে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।’ তিনি জানান, চিমনি সংক্রান্ত যে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছিল, সেইমতো কাজ হচ্ছে। এতদিনের ব্যবসা এবং মানুষের ভালোবাসাকে অগ্রাহ্য করা যায় না। সেই কারণে, মঙ্গলবার থেকে পুরোদমে আবার রেস্তরাঁর কাজ শুরু হয়েছে।

পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ডের তরফেও তাঁদের সঙ্গে সহযোগিতা করা হয়েছে বলে জানান হয়। এর আগে রেস্তরাঁর বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেটিও চালু করে দেওয়া হয়েছে। গত শনিবার পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ডের আধিকারিকরা রেস্তরাঁ পরিদর্শন করে যান। এরপরেই তাঁরা রেস্তরাঁ নতুন করে চালু করার ব্যাপারে ছাড়পত্র দিয়ে যান।

Momo Tibetan Restaurant : তিলোত্তমায় তিব্বতি খাবারের প্রাচীন ঠেক, বন্ধের পথে চৌরঙ্গীর ‘টিবেটিয়ান ডিলাইট’
১৯৮১ সালে পথচলা শুরু করে টিবেটিয়ান ডিলাইট। আসলি লক্ষ্মী বাবু কা সোনা চান্দি গহেনে কা দোকান পেরিয়ে জিৎবাদল মুখিয়া এবং তাঁর পুত্র উদয় মুখুয়ার হাত ধরে শুরু হয় তিব্বতি খাবারের এই ওয়ান স্টপ সলিউশন। আলো আধাঁরি পরিবেশে ধোঁয়া ওঠা চিলি পর্ক, মোমো, থুকপার ভোজন পাত্রে ডুব দিতেন খাদ্য রসিকরা। সেই ট্র্যাডিশন আজও চলছে। প্রতিদিন শয়ে শয়ে কাস্টমারকে পরিষেবা দিতে দিতে মুখিয়া পরিবার কলকাতারই স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে গিয়েছেন। পারিবারিক সম্বল বলতে তাঁদের এই রেস্তরাঁই। সেটিকে টিকিয়ে রাখার মাধ্যমে তাঁদের আর্থিক সম্বলতার সুরাহা তো হচ্ছে, পাশাপাশি নস্টালজিক স্মৃতিকেও বাঁচিয়ে রাখলেন তাঁরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *