পাইকপাড়ার ক্যাম্প বাগানের পুজোয় এবার ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পুরুষালি আচরণ নেই, এমন ছেলেদের ছোট থেকে বড় হওয়ার দিকটি। শিল্পী দেবাশিস বিশ্বাসের কল্পনায় উঠে এসেছে এমন একটি ছেলেটিকে স্কুল থেকে শুরু করে আত্মীয়, কর্মক্ষেত্রে কী ভাবে হেনস্থা হতে হয়, তার কথা। এই পুজোর থিম ‘গৌরবের গৌরী যাত্রা’।
দেবাশিস বলছেন, ‘শিক্ষা এবং বোধ আমাদের একে-অন্যের প্রতি সহানুভূতিশীল এবং সংবেদনশীল হতে সাহায্য করে। কিন্তু এমন অনেকেই আছেন যাঁরা অন্যকে ছোট করে আনন্দ পান। তাঁরা যেন সেই প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন।’ সল্টলেকের সানিয়াত ক্লাবের পুজো মণ্ডপ এবার গড়ে তোলা হয়েছে রাজস্থানের শিবমন্দিরের আদলে।
এজে পার্কে আয়োজিত এই পুজো এবার পা দিচ্ছে ৩৮ বছরে। ক্লাবের অন্যতম কর্মকর্তা বিকাশ রায়চৌধুরী বলছেন, ‘এবারই প্রথম থিম পুজো করা হচ্ছে। কারণ বেশি সংখ্যক দর্শক টানতে থিমের বিকল্প নেই।’ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও এবার থিমের রমরমা। যেমন ভবানীপুরের মিত্র ইনস্টিটিউশনের পুজো প্যান্ডেল এবার তৈরি করা হয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর বর্ণময় রঙিন পিংলা গ্রামের পটচিত্রের মাধ্যমে।
কালীমন্দির স্থাপনের সঙ্গে কালীঘাটের পটের কদর বেড়েছিল ঠিকই। কিন্তু বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই এই পটচিত্রের বিষয়ে জানে না। তাদের জানাতেই এই থিম। প্রধান শিক্ষক রাজা দে বলেন, ‘স্কুল পড়ুয়াদের পটচিত্রের প্রতি ভালোবাসা তৈরি করার স্বার্থেই এই থিম।’
হাওড়া চ্যাটার্জিহাট পাত্রবাড়ির সরস্বতী পুজোর এবার ২৫ বছর। প্রতিমার রূপদান করছেন বিশিষ্ট শিল্পী সনাতন রুদ্রপাল। রজত জয়ন্তী বর্ষের কথা মাথায় রেখে প্রতিমাটির সাজসজ্জা সম্পূর্ণ রুপো ও অ্যালিউমিনিয়াম দ্বারা নির্মিত হয়েছে, যা এবারের পুজোর অন্যতম চমক। রবিবার প্রতিমার আবরণ উন্মোচন করেছেন বিশিষ্ট চিত্রশিল্পী সুব্রত গঙ্গোপাধ্যায়। ছিলেন সাহিত্য ও সংস্কৃতি জগতের বিশিষ্টরা।
