West Bengal Police : ‘আমাদের সরস্বতী’! রাজ্য পুলিশের গর্ব ওঁরা, দেখুন ভিডিয়ো – west bengal police has shared a video about some lady constable and civic volunteer


সমাজের বুকে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পুলিশের। একদিকে যেমন সমাজকে অপরাধ মুক্ত রাখা, আবার অন্যদিকে তেমনই নাগরিকদের নিরাপত্তা, উভয়ই সমানভাবে দেখতে হয় পুলিশকে। ৮ থেকে ৮০, যে কোনও মানুষের নিত্যদিনের জীবনে বিবিধ সমস্যার সমাধানও থাকে সেই পুলিশের কাছেই। যেমন, করোনাকালে মানুষের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়া, বা মুমূর্ষু রোগীকে হাসপাতাল পৌঁছনো, কিংবা মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের সময়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দেওয়া, বিভিন্ন ক্ষেত্রেই অগ্রণী ভূমিকা দেখা যায় পুলিশের।

এখানেই শেষ নয়, সাম্প্রতিককালে রাজ্যে বিভিন্ন জেলার পিছিয়ে পড়া ছেলেমেয়েদের সিভিল সার্ভিস পরীক্ষার জন্য ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে। আর সেই ট্রেনিংয়ের ক্ষেত্রে উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন তাঁরা। বিভিন্ন জেলায় সম্প্রতি তেমনই ছবি দেখা গিয়েছে। তবে শুধু উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরাই নন, মহিলা পুলিশ কনস্টেবল বা সিভিক ভল্যান্টিয়ারদেরও কখনও কখনও শিক্ষকের ভূমিকায় দেখা যায়। আর সরস্বতী পুজোর দিনে তেমনই কিছু মহিলা পুলিশ কর্মী ও সিভিক ভল্যান্টিয়ারের বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় জানাল রাজ্য পুলিশ।

রাজ্য পুলিশের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় এদিন একটি ভিডিয়ো শেয়ার করা হয়েছে। সেই ভিডিয়োর সঙ্গে যে টেক্সট রয়েছে তাতে লেখা, ‘আমাদের সরস্বতীরা। মহুয়া ভট্টাচার্য, মামণি বিশ্বাস, রাণু ঘোষ, চায়না মন্ডল, সাগিরা খাতুন পূর্ণিমা দাঁ, প্রিয়াঙ্কা দাস বল, ওঁদের কেউ কনস্টেবল, কেউ সিভিক ভল্যান্টিয়ার, কেউ বা এনভিএফ অথবা হোমগার্ড। সকলেই পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের কর্মী। ওঁরা ল’অ্যান্ড অর্ডার ডিউটি করেন। করেন পুলিশের আরও নানাবিধ দৈনন্দিন কাজ। তার মাঝেই পড়ান বাচ্চাদের। বর্ধমান জেলার পুলিশ লাইনে প্রায় তিরিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলছে একটি অবৈতনিক স্কুল। যেখানে কেজি থেকে ক্লাস ফোর অবধি বাচ্চাদের পড়ানো হয় নিখরচায়। ওঁরা কাজের পাশাপাশিই সময় বার করে নিয়ে শিক্ষকতা করেন এই স্কুলে। আজ বিদ্যাদেবীর আরাধনার দিনে ভাগ করে নিচ্ছি ওঁদের নিয়ে তৈরি ছোট একটি ভিডিয়ো। যাতে ধরা থাকছে আমাদের সরস্বতীদের কথা।’

ভিডিয়োটি সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করার পর থেকেই বিভিন্ন কমেন্ট করতে শুরু করেছেন নেটিজেনরা। প্রায় সকলেই ওই পুলিশ কর্মী ও সিভিক ভল্যান্টিয়ারদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। আগামীদিনেও এভাবেই চলতে থাকুক এই ব্যবস্থা, এমনটাই চাইছেন প্রত্যেকে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *