পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৯ ফেব্রুয়ারি পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ার বাসিন্দা পার্থ মাইতি রেলপুলিশের কাছে সৌভিক ঘোষ ছাড়াও সুখেন দাস, সুমন দেবনাথ, স্নেহাংশু দাস এবং কুনাল দে নামে আরও চার জনের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন। তার মধ্যে কুনালের বাড়ি কলকাতার সার্কাস অ্যাভিনিউতে। বাকি চার জনের বাড়ি নদিয়ার। তদন্তে নেমে অভিযুক্ত সৌভিক ঘোষ ওরফে গুড্ডুকে গ্রেফতার করে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার রেলপুলিশ। বাকিদের খোঁজেও তল্লাশি জারি রয়েছে।
অভিযোগ, ২০২০ সালে ডিসেম্বরে শিয়ালদা দক্ষিণ শাখার হোটর রেলস্টেশনে অভিযুক্তদের আলাপ হয় পার্থ মাইতির। অভিযুক্তরা নিজেদের রাজ্য সরকারের পদস্থ আধিকারিক বলে পরিচয় দেন। পার্থর বিশ্বাস অর্জনের জন্য বিভিন্ন দফতরের পরিচয়পত্রও দেখান তাঁর। অভিযুক্তদের ফাঁদে পা দিয়ে চতুর্থ শ্রেণির কর্মীর চাকরি পাওয়ার জন্য কয়েক দফায় মোট নয় লক্ষ টাকা দেন তিনি। এরপর বারংবার চাওয়ার পরে তাঁকে একটি ‘নিয়োগপত্র’ও দেওয়া হয়। তবে সেটি নিয়ে কাজে যোগ দিতে গিয়ে সেটি নিয়ে কাজে যোগ দিতে গিয়ে পার্থ জানতে পারেন, সেটি ভুয়ো। তারপরেই অভিযোগের সিদ্ধান্ত নেন পার্থ।
জানা গিয়েছে, রানাঘাট ১ ব্লকের রামনগর ১ গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা সৌভিক গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ৩৩ নম্বর জেলা পরিষদের আসনে তৃণমূলের টিকিটে লড়াই করেছিলেন। যদিও সেই ভোটে বিজেপির কাছে হেরে যান তিনি। একসময় ওই পঞ্চায়েতে দলের সভাপতির দায়িত্বও দেওয়া হয়েছিল সৌভিককে। রবিবার রাত প্রায় সাড়ে ৯টা নাগাদ একটি অনুষ্ঠান থেকে বাড়ি ফিরছিলেন সৌভিক। সেই সময় বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে আঁইসশতলার তেইশ বিঘা এলাকায় তাঁকে ধরে ফেলে রেলপুলিশ।
