যদিও, বেশ কয়েকটি বেসরকারি বাস মালিক সংগঠন অবশ্য এর বিরোধিতা করছে। এভাবে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগের মধ্যে ফেলে বাস ধর্মঘট করা উচিত নয় বলে দাবি করেছে তাঁরা। যদিও, গণ পরিবহণ বাঁচাও কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, ১৫ বছরের বেশি পুরনো বাস বাতিলের সিদ্ধান্তে প্রায় হাজার হাজার বাস বসিয়ে দিতে হচ্ছে। যে কারণে বাস মালিকদের অনেকটাই আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়তে হবে।
অন্যদিকে, আরও একটি বাস সংগঠন জয়েন্ট কাউন্সিল অব বাস সিন্ডিকেটে জানিয়েছে, করোনা কালে এমনিতেই দুই বছর প্রায় বাসগুলি বসে ছিল। সেক্ষেত্রে অনেকটাই ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে বাস মালিকদের। সেই কারণে, আপাতত এই নির্দেশিকা রদ করে আরও দুই বছর বাসগুলো চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক। এই দাবি নিয়ে রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তীর কাছে আবেদন জানানো হয়েছে। রাজ্য আবেদন না মানলে ধর্মঘটের পথে হাঁটবেন তাঁরা।
তবে এই ধর্মঘটের বিরোধিতা করেছে সাব আরবান বাস সার্ভিসেস। তাঁদের দাবি, বাস সংগঠনের সুবিধার্থে ইতিমধ্যেই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। বকেয়া কর, সিএফ সহ একাধিক সুবিধা দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে এরকম বাস ধর্মঘট করে যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়িয়ে সুরাহা হবে না। সেক্ষেত্রে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করার ব্যাপারে জানাচ্ছে একাধিক বাস সংগঠন।