তবে সেলিমের বক্তব্য, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের একাংশকে এতদিন ‘বাম বিরোধী সুড়সুড়ি’ দেওয়া হয়েছিল। সেই কারণে, ভোট বিভাজনের খেসারত দিতে হয়েছে বামেদের। সেই চিত্র এখন অনেকটাই পাল্টেছে। সেলিম জানান, সংখ্যালঘু ভোট আগেও বিভাজন ছিল, এখনও বিভাজন আছে। তবে, ধর্মের বিবেচনা থেকেই সংখ্যালঘুরা ভোটদান করছেন, এরকম পরিস্থিতি এখন আর নেই।
বাংলায় যদিও ইন্ডিয়া জোটের সমীকরণ মেনে বিজেপি বিরোধী দলগুলো লড়ছে না। তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেসের আসন সমঝোতা সম্ভাবনা আর প্রায় নেই বললেই চলে। তবে, সিপিএমের সঙ্গে কংগ্রেসের গত নির্বাচনের মতো আসন সমঝোতা কি হবে? এ ব্যাপারে অবশ্য সেলিম ওই সাক্ষাৎকারে জানান, রাজ্যের সমস্ত বিজেপি এবং তৃণমূল বিরোধী শক্তিকে এককাট্টা করতে চাইছেন তাঁরা। তবে বিশেষ করে বামপন্থী দলগুলোকে একসারিতে আনতে চাইছেন। তবে কংগ্রেসের সঙ্গে আদৌ জোট হচ্ছে কিনা, সে ব্যাপারে কোনও ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি তাঁর বক্তব্যে।
তবে, আগামী দিনে যুব শক্তির কাঁধে ভর করেই সিপিএম যে ভবিষ্যতের রাস্তা তৈরি করবে, সেটা পরিষ্কার করে দেন। তাঁর সাক্ষাৎকারে উঠে আসে যুব সংগঠনের উদ্যোগে সম্প্রতি কলকাতায় ব্রিগেড সমাবেশ আয়োজনের কথা। সেলিম বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে এখন তরুণ সমাজই বামপন্থী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছে। অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কেবল সিপিআই (এম) নতুন প্রজন্মকে নেতৃত্বে গ্রহণ করে নিয়েছে।’ বাকি দল অন্যান্য দল থেকে নেতা ভাঙিয়ে আনছে বা চিত্র তারকাদের সামনে আনা হচ্ছে বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।
