এই প্রসঙ্গে বিরোধীরা অবশ্য কটাক্ষের সুর ছুড়েছেন। BJP-র হয়ে দু’টি লোকসভা নির্বাচনে লড়াই করেছিলেন বাবুল সুপ্রিয়। পরবর্তীতে সাংসদ পদ ত্যাগ করে তিনি যোগদান করেন তৃণমূলে। রাজ্যের এই মন্ত্রী বিজেপির এই সংখ্যার অসাম্য প্রসঙ্গে বলেন, ‘এই তিনটে সংখ্যাই ভুল। আমার মনে আছে বিধানসভার সময় একটা বৈঠক হয়েছিল। যেখানে অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা ছিলেন। সেই সময় আমি এবং মুকুল রায় দুই জনে মুখের উপর বলেছিলাম ২১ সালে কোনওভাবেই BJP ৭০ থেকে ৮০-র বেশি সিট জিততে পারবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘মোদী পোড়খাওয়া রাজনীতিবিদ। তাঁকে বাংলার নেতৃত্ব কী বুঝিয়েছে কে জানে। আগে ভোট হোক, তারপর বোঝা যাবে কে কত আসন পাবে!’
অন্যদিকে, এই প্রসঙ্গে বাম নেতা রবীন দেব বলেন, ‘BJP বলছে দেশজুড়ে ৪০০ টার্গেট। ওরাই তা বিশ্বাস করে না। বাংলাতেও যে সংখ্যা ওরা বলছে তার সঙ্গেও বাস্তবের কোনও মিল নেই।’
একই সুর শোনা গেল কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্যের কণ্ঠেও। তিনি বলেন, ‘ওরা বাংলা নিয়ে কোনও লক্ষ্যমাত্রা স্থির করতে পারেনি। কারণ বঙ্গ রাজনীতির ভেতরে ওরা ঢুকতে পারেনি। কোন বুথে কী পরিস্থিতি তা ওরা জানেই না। আর সেই জন্যই আলাদা আলাদা এই পরিসংখ্যান সামনে আসছে।’ যদিও অন্য সুর শোনা গেল বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার কণ্ঠে। তিনি বলেন, ‘অমিত শাহ ৩৫টি আসন বলেছেন এবং ওইটাই ঠিক রয়েছে। এছাড়া অন্য কোনও বিষয় নেই।’
এদিকে বিষয়টি নিয়ে সরাসরি কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি বঙ্গ বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ‘এই নিয়ে আমরা সংবাদ মাধ্যমে আলোচনা করতে আগ্রহী নই। বিষয়টা আমরা বলছি না।’ তবে তাঁর আরও সংযোজন, ‘আমি একটা কথাই বলব, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রাপ্ত আসনের সংখ্যা ২৪-এর পর থেকে গোনা শুরু হবে।’
