Dum Dum Municipality : জল জমিয়ে রাখলে মামলা, লাখ টাকা জরিমানা দমদমে – dum dum municipality takes initiative to prevention dengue in city


শ্যামগোপাল রায়ফ্ল্যাটের মধ্যে জমা জলের সন্ধান মিললে প্রথমে নোটিস দেওয়া হবে মালিককে। নোটিস পাওয়ার পরেও যদি জল জমিয়ে রাখার প্রবণতা বন্ধ না হয়, সে ক্ষেত্রে ফ্ল্যাটের মালিককে ১০০০ থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হবে। জমা জলের পরিমাণের উপরে নির্ভর করবে জরিমানার অঙ্ক। সেই সঙ্গে থানায় অভিযোগও দায়ের হতে পারে ফ্ল্যাট মালিকের বিরুদ্ধে। ডেঙ্গির প্রকোপ ঠেকাতে এমন নিয়মই কার্যকরী করতে চলেছে দমদম পুরসভা।

পুরপ্রধান হরিন্দর সিংয়ের বক্তব্য, ‘মানুষকে সচেতন করতে আমাদের তরফে সব রকম চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু এটা দুঃখের যে অনেকেই সচেতন হচ্ছেন না। ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের মধ্যে এই প্রবণতা বেশি। সে কারণেই কড়া পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত।’ দমদম পুরসভায় সব মিলিয়ে ২২টি ওয়ার্ড। এর মধ্যে ১ থেকে ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আবাসনগুলির কমিটির সম্পাদক-সভাপতিদের নিয়ে সম্প্রতি বৈঠকে বসেছিলেন পুরকর্তারা।

একই ভাবে ৯ থেকে ২২ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে যে আবাসনগুলি রয়েছে, সেখানকার কর্মকর্তাদের নিয়েও বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে ছিলেন স্টেট আর্বান ডেভলপমেন্ট এজেন্সির অফিসাররাও। বৈঠকেই নতুন সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সবাইকে। পতঙ্গবিদদের বক্তব্য, গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, কলকাতা এবং লাগোয়া পুর-এলাকাগুলিতে বাড়ির তুলনায় আবাসনগুলিতেই ডেঙ্গির প্রকোপ বেশি। রোগের প্রকোপ কমাতে শুধু সচেতনতা নয়, কড়া পদক্ষেপ জরুরি বলে মনে করছেন দমদমের উপপুরপ্রধান বরুণ নট্টও।

বৈঠকে আবাসনগুলিতে পুরকর্মীদের কী কী সমস্যার মুখে পড়তে, সে কথাও তুলে ধরা হয়। আবাসন কমিটির বক্তব্যও শোনা হয়। বৈঠকে উপস্থিত গোরাবাজারের একটি আবাসনের কমিটি-সম্পাদক অভিষেক চৌধুরী বলেন, ‘পুরসভার পক্ষ থেকে আবাসন কমিটিকে যদি অভিযানে আসার কথা আগে থেকে জানানো হয় তা হলে আমরাও সহযোগিতায় তৈরি।’ আবাসনে নজরদারিতে পুরসভার তরফে পৃথক টিমও তৈরি করা হয়েছে। যারা সপ্তাহে ৪ দিন শুধুমাত্র আবাসনগুলিতে ভিজিট করবে।

কোনও আবাসনে ঢুকতে না দেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট আবাসনের কর্মকর্তাদের নোটিস দেওয়া হবে। প্রয়োজনে পুলিশ নিয়ে হবে অভিযান। দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ পড়ে থাকা বাড়িতে অভিযানের ক্ষেত্রেও থানার সাহায্য নেওয়া হবে। পতঙ্গবিদ দেবাশিস বিশ্বাস দমদমের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘জরিমানার অঙ্ক বাড়ানো এবং থানায় অভিযোগের সিদ্ধান্তে অনেকেরই হুঁশ ফিরবে। এতে রোগের প্রকোপ কমবে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *