| আসানসোল | জাহানারা খান |
| কোচবিহার | নীতীশ চন্দ্র রায় |
| জলপাইগুড়ি | দেবরাজ বর্মন |
| বালুরঘাট | জয়দেব সিদ্ধান্ত |
| কৃষ্ণনগর | এস এম সাদি |
| দমদম | সুজন চক্রবর্তী |
| যাদবপুর | সৃজন ভট্টাচার্য |
| কলকাতা দক্ষিণ | শায়েরা শাহ হালিম |
| হাওড়া | সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায় |
| শ্রীরামপুর | দীপ্সিতা ধর |
| তমলুক | সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় |
| মেদিনীপুর | বিপ্লব ভট্ট |
| হুগলি | মনোদীপ ঘোষ |
| বিষ্ণুপুর | শীতল কৈবর্য |
| বর্ধমান পূর্ব | নীরজ খান |
| বাঁকুড়া | নীলাঞ্জন দাশগুপ্ত |
প্রার্থী তালিক ঘোষার পর বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুকে আইএসএফ-এর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, কোনওরকম জোট নয়, আসন সমঝোতা হয়। তবে আইএসএফ-এর সঙ্গে এখনও পর্যন্ত কতগুলি আসন সমঝোতা হয়েছে, বা আদৌ হয়েছে কি না, সেই বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলতে চাননি বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু।
লক্ষ্য করার মতো বিষয় হল প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা নতুন মুখের ওপর ভীষণভাবে জোর দিয়েছে বামেরা। সেক্ষেত্রে সুজন চক্রবর্তী ও বিপ্লব ভট্ট ছাড়া বাকি ১৪ আসনেই নতুন মুখকে সুযোগ দিয়েছে বামেরা। একইসঙ্গে তরুণ ব্রিগেডের ওপরেও ভরসা রাখতে দেখা গিয়েছে বামেদের। প্রার্থী করা হয়েছে, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, সৃজন ভট্টাচার্য, দীপ্সিতা ধরের মতো তরুণ মুখেদের। রাজনৈতিকমহলের একাংশ মনে করছে তরুণ ব্রিগেডের উপরে বামেদের এই ভরসা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
ইন্ডিয়া জোটের ছাতার তলায় বিজেপির বিরুদ্ধে একসঙ্গে লড়াই করার ডাক দেয় বেশকিছু বিরোধী দল। সেই সময় ইন্ডিয়া জোটে দেখা যায় সিপিএম, কংগ্রেস, তৃণমূলের মত দলগুলিকে। পরে অবশ্য গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গিয়েছে। রাজনীতির ময়দানে দেখা গিয়েছে বেশকিছু উত্থানপতন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের ৪২ আসনে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিয়েছে তৃণমূল। এমনকী কংগ্রেসও দু’দফায় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। তবে সেই তালিকায় রাজ্যের কোনও আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেনি হাত শিবির। প্রসঙ্গত, রাজ্যে বারেবারে জোট করে লড়াই করার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে কংগ্রসে ও সিপিএম। তবে এখনও পর্যন্ত সেই বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছন যায়নি। তারই মাঝে দেখা গেল প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে দিল বামেরা।
