Satabdi Roy : প্রচারের ফাঁকে শুটিং করছেন শতাব্দী, লেখা হয়েছে ‘থিম সং’ – birbhum tmc candidate satabdi roy started shooting for lok sabha election campaign


হেমাভ সেনগুপ্ত, সিউড়িশুটিং করছেন শতাব্দী। এ আবার নতুন কী? তিনি অভিনেত্রী। হামেশাই শুটিং ফ্লোরে তাঁকে দেখা যায়। তবে এ বারের ব্যাপারটা সম্পূর্ণ আলাদা। ভোট প্রচারের জন্য শুটিং শুরু করেছেন বীরভূমের তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়। বীরভূম লোকসভা কেন্দ্র থেকে এই নিয়ে চতুর্থবারের জন্য ভোটে দাঁড়িয়েছেন তিনি। ২০০৯ সালে এই কেন্দ্র থেকে দাঁড়িয়ে পরপর তিন বার জয়ী হয়েছেন, এ বার হঠাৎ ‘থিম সং’-এর প্রয়োজন হলো কেন? তবে কি কেষ্ট বিনে ভোট ময়দানে লড়াইটা কঠিন?

শতাব্দী বলেন, ‘এখন সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ। ইয়ং জেনারেশন এই রকমের ভিডিয়ো পছন্দ করে। ভোটের প্রচার আরও একটু আকর্ষণীয় করতে এটা করা হয়েছে।’ প্রচারের ফাঁকে ফাঁকে গত কয়েকদিন ধরে রামপুরহাটের হাটে, সিউড়ির তসরকাটা এলাকায় শুটিং করেছেন অভিনেত্রী। গত দু’দিন তিলপাড়া এলাকায় শুটিং করেছেন। ভিডিয়ো শুটে ১০ জন এবং অডিয়ো রেকর্ডিংয়ে ৭ জন কাজ করছেন।

রাজনীতির ময়দানে নামার আগে দীর্ঘদিন সিনেমা জগতে থাকার জন্য গান-নাচের ভিডিয়ো তাঁর কাছে জলভাত। বীরভূমের উন্নয়ন, দলনেত্রীর বিভিন্ন প্রকল্প নিয়ে নিজের লেখা গান ইতিমধ্যে রেকর্ডিং হয়েছে কলকাতার স্টুডিয়োয়। এ বার শুরু হয়ে ভিডিয়ো রেকর্ডিং। এ দিন সিউড়ির তসরকাটা জঙ্গলে শুটিং দেখতে ভিড় জমান সাধারণ মানুষ। শতাব্দীর সঙ্গে তৃণমূলের মহিলা সংগঠনের একাধিক নেতানেত্রী থাকছেন এই শুটিংয়ে। নিজেই সমস্তটা সাজিয়ে গুছিয়ে শুটিংয়ে হাজির হচ্ছেন অভিনেত্রী।

এ দিন তসরকাটা জঙ্গলে ‘এই বঙ্গের মা বোনেরা মমতাকেই চায়, কারণ তাঁরা সুখে আছে মমতার ভরসায়’ গানের সঙ্গে মহিলাকর্মীদের নিয়ে নাচতে দেখা যায় তাঁকে। কর্মীদের কারও হাতে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কেউ নিয়েছেন রূপশ্রী প্রকল্পের ব্যানার। আর স্বয়ং অভিনেত্রী শতাব্দীর হাতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। সিউড়ি পুরসভার কাউন্সিলার মণিদীপা মুখোপাধ্যায় বলেন, ‘ভোটের থিমসংয়ে অংশ নিতে পেরে সত্যিই খুবই আনন্দ হচ্ছে।’ শতাব্দী বলেন, ‘প্রচারের জন্য একটা গান লেখা হয়েছে। সেই গানের শুটিং চলছে। এটা সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া হবে। বিভিন্ন মিটিংয়েও চালানো হবে।’

শতাব্দীর এই প্রয়াসকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা। তিনি বলেন, ‘এ বার আর দিল্লি যাওয়া হবে না। ওঁকে আবার শুটিং ফ্লোরে ফিরতে হবে। তাই অভ্যাস করছেন।’ কংগ্রেসের জেলা সভাপতি মিলটন রসিদ বলেন, ‘ভোট প্রচারে গিয়ে বুঝতে পারছেন, তৃণমূলের কেমন গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! তাই কৌশল বদলে গাঁয়ে গাঁয়ে ভিডিয়ো পাঠাবেন। তাতে উপকার খুব একটা হবে বলে মনে হয় না।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *