এই সময়, বর্ধমান: মুখ্যমন্ত্রীর পিতৃ-পরিচয় নিয়ে কটাক্ষের জেরে নির্বাচন কমিশন ও দলের জোড়া শো-কজ়ের পরেও তিনি যে বিতর্কে থাকতেই পছন্দ করেন, তা রবিবাসরীয় চায়ে পে চর্চায় ফের বুঝিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ। এদিন সকালে বর্ধমানের মোহনবাগান মাঠে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে গরম চায়ে চুমুক দিতে দিতে সংবাদমাধ্যমকে বাইট দিচ্ছিলেন দিলীপ।তখনই এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করে দিলীপ পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘ওই মাথার স্টিকারটা উনি কবে খুলবেন? ভোট শেষের আগে না পরে?’ কিছুদিন আগে কালীঘাটের বাড়িতে পড়ে গিয়ে মাথায় চোট পেয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তার পর তাঁর মাথায় ব্যান্ডেজ করা হয়। সেই ব্যান্ডেজ এখন অবশ্য নেই।
এদিন সকালেই বর্ধমানের মোহনবাগান মাঠে চায়ে পে চর্চায় মুখ্যমন্ত্রীর কপালে ব্যান্ডেজ নিয়ে কটাক্ষ করেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ। এক সাংবাদিক তাঁর কাছে থেকে মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রচার শুরুর বিষয়ে প্রতিক্রিয়া চান। জবাবে দিলীপ বলেন, ‘উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) এতদিন প্রচারে নামেননি কেন, সেটা তো জিজ্ঞাসা করুন। আর মাথার ওই স্টিকারটা কবে খুলবেন, ভোট শেষ হওয়ার আগে না পরে খুলবেন? এটাই হয়তো ওঁর ভোটের পলিসি। ভোটের আগে চোট, এটাই হয়তো ওঁর ভোটের রেসিপি। ভোটের আগে হাত-পা ভাঙবে, মাথা ভাঙবে, কোথাও না কোথাও লাগবে। তবে এবার ইমোশোনাল ভোট আর হবে না।’
এদিন সকালেই বর্ধমানের মোহনবাগান মাঠে চায়ে পে চর্চায় মুখ্যমন্ত্রীর কপালে ব্যান্ডেজ নিয়ে কটাক্ষ করেন বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ। এক সাংবাদিক তাঁর কাছে থেকে মুখ্যমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রচার শুরুর বিষয়ে প্রতিক্রিয়া চান। জবাবে দিলীপ বলেন, ‘উনি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) এতদিন প্রচারে নামেননি কেন, সেটা তো জিজ্ঞাসা করুন। আর মাথার ওই স্টিকারটা কবে খুলবেন, ভোট শেষ হওয়ার আগে না পরে খুলবেন? এটাই হয়তো ওঁর ভোটের পলিসি। ভোটের আগে চোট, এটাই হয়তো ওঁর ভোটের রেসিপি। ভোটের আগে হাত-পা ভাঙবে, মাথা ভাঙবে, কোথাও না কোথাও লাগবে। তবে এবার ইমোশোনাল ভোট আর হবে না।’
দিলীপ ঘোষের এই বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। জোড়াফুলের রাজ্য মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, ‘দিলীপ ঘোষ না জানেন বাংলার সংস্কৃতি, না চেনেন নিজের কেন্দ্রের লোকজনকে। তাঁর কাছ থেকে বাংলার মায়েরা যে অসম্মানিত হবেন, সেটা উনি কয়েকদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রীর নামে কুকথা বলে বুঝিয়ে দিয়েছেন।
আমাদের দলনেত্রী পড়ে গিয়ে যে ভাবে চোট পেয়েছিলেন, সেই রক্তাক্ত অবস্থার ছবি আমরা দেখেছি। উনি (দিলীপ) যদি মনে করেন এসব ভোটে জেতার জন্য, সেটা বাংলার মানুষ ওঁকে বুঝিয়ে দেবে। আমরা রাজ্য নেতৃত্বকে বিষয়টি জানিয়েছি। নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানানোর বিষয়েও কথা হয়েছে।’