জানা গিয়েছে, বেশ কয়েকজন ভক্তদের মারধরও করা হয়েছে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয় একটি ভিডিয়ো (সত্যতা যাচাই করেনি এই সময় ডিজিটাল) ভাইরাল হয়েছে যেখানে লক্ষ্য করা যাচ্ছে শান্তনু ঠাকুর বড় মা বীণাপানি দেবীর মন্দিরের তালা ভাঙছেন। পুরো বিষয়টা নিয়ে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মমতা বালা ঠাকুর।
বিষয়টি নিয়ে মমতা বালা ঠাকুর জানান, মতুয়াদের আবেগে আঘাত করে বড়মার ঘর ভেঙে প্রধানমন্ত্রীর লোকসভা প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর, সুব্রত ঠাকুর সঙ্গে বাবা মঞ্জুল কৃষ্ণ প্রবেশ করে। তাঁর কথায়, ‘বাজে মন্তব্য করে সঙ্গে মেরে ফেলার হুমকিও দেয়। উনি আস্তে পারতেন ভালো ভাবে বড়মার ঘরে, যে দরজা সব সময় বন্ধ থাকে, সেটা ভেঙে ঢোকার প্রয়োজন ছিল না।’ বিষয়টি নিয়ে বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর বলেন, ‘ওই ঘরের সঙ্গে আমার ছোটবেলার স্মৃতি জড়িত। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে ওই ঘর দখল করে রাখা হয়েছিল। কেন আমাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে? আমি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে জবাব চাই।’
মমতা বালার কটাক্ষ, যেখানে প্রধানমন্ত্রী সন্দেশখালির গল্প করে নারী সুরক্ষা নিয়ে কথা বলছেন, সেখানে তাঁরই এক প্রতিমন্ত্রী বর্তমান লোকসভার প্রার্থী এরকম কাণ্ড ঘটাচ্ছেন। তাঁর এই কীর্তিকে ধিক্কার জানাই। আজ কোথায় এক বিধবা নারীর সুরক্ষা? মতুয়াদের হাতে ছেড়ে দিলাম এর বিচার ব্যবস্থা। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে। লোকসভা নির্বাচনের আগে যা নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষদের মধ্যে। প্রসঙ্গত, বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন গতবারের জয়ী সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। অন্যদিকে, এই কেন্দ্র থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে প্রার্থী করা হয়েছে বিধায়ক বিশ্বজিৎ দাসকে।
