অন্যদিকে, বিজেপির সহ সভাপতি দীপক দাস বলেন, ‘গুটিকয়েক জনকে ধরে নিয়ে এসে তৃণমূলে যোগদান করিয়ে বলছে দুশো পরিবার। তবে তারা কোনওদিনই BJP-তে ছিল না। এগুলো সমস্ত মিথ্যে কথা। আসলে বিকাশ রায় চৌধুরীর গুরুত্ব কমে গিয়েছে বলে এই সমস্তকিছু করে বেড়াচ্ছেন।’
উল্লেখ্য, লোকসভা নির্বাচনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হল বীরভূম এবং বোলপুর। এই বছর লোকসভা নির্বাচনে সেখানে নেই বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল। গোরু পাচার মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করে CBI। ২০২২ সালে গ্রেফতার হন তিনি। এরপর বেশ কিছু সময় আসানসোল সংশোধনাগারে ছিলেন তিনি। এরপর তাঁকে হেফাজতে নিয়েছিল ED।
এই মুহূর্তে তিহাড় সংশোধনাগারে রয়েছেন অনুব্রত। এদিকে তাঁর গ্রেফতারির পর একাধিকবার সুর চড়িয়েছে তৃণমূল। শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণেই অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি শোনা গিয়েছে রাজ্য়ের শাসক দলের কণ্ঠে। পাশাপাশি দলীয় বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, অনুব্রত না থাকলেও জেলায় তাঁর কায়দাতেই চালাতে হবে দল।
অর্থাৎ অনুব্রত মণ্ডলের অনুপস্থিতিতে তাঁর নীতিতেই বীরভূমের সংগঠন সাজাতে হবে বলে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয় জেলা কোর কমিটিকে। এদিকে অনুব্রত মণ্ডলের অনুপস্থিতিতে বীরভূম কেন্দ্রের দুটি আসনে জয়লাভ করার জন্য মরীয়া বিরোধীরাও। কেষ্টর অনুপস্থিতিতে তৃণমূলকে হারানোর জন্য রাজনৈতিক সমর কৌশল সাজাচ্ছেন তাঁরা।
যদিও অনুব্রত মণ্ডলের অনুপস্থিতিতে বীরভূমের দিকে বিশেষ নজর রেখেছেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। লোকসভা নির্বাচনের আগে জেলার কোর কমিটিতে কিছু বদল আনা হয়। বীরভূম কেন্দ্রে ফের তৃণমূলের তরফে প্রার্থী করা হয়েছে শতাব্দী রায়কে। তিনি রাজনৈতিক প্রচার ময়দান দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন। এরই মধ্যে BJP ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
