Election Commission : চার কেন্দ্রীয় এজেন্সির প্রধানকে বদল করা হোক, নির্বাচন কমিশনে আর্জি তৃণমূলের – tmc appealed election commission to change four central agencies chief before election


কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলি বিজেপির ‘অঙ্গুলিহেলনে’ কাজ করছে, নির্বাচনের প্রাক্কালে চারটি কেন্দ্রীয় এজেন্সির প্রধানকে বদলি করা হোক, নির্বাচন কমিশনের দফতরে গিয়ে দরবার করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। পাশাপাশি, জলপাইগুড়িতে বিপর্যস্ত পরিবারগুলিকে যাতে আর্থিক সাহায্য করা যায় নির্বাচন আচরণবিধি মেনে, সেই ব্যাপারেও আবেদন জানিয়ে এলেন তাঁরা।সোমবার বিকেলে তৃণমূল কংগ্রেসের ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল দেখা করে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে। সেখানেই তৃণমূল কংগ্রেসের নালিশের অন্যতম বিষয়বস্তু ছিল, ED, CBI, NIA এবং ইনকাম ট্যাক্স ডিপার্টমেন্টকে কাজে লাগিয়ে বিজেপি সরকারের ‘স্বেচ্ছাচারিতার’ বিরুদ্ধে অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হয়, এই চারটি কেন্দ্রীয় এজেন্সির প্রধানকে দ্রুততার সঙ্গে বদলি করা হোক। রাজ্যের প্রতিটি রাজনৈতিক দল যাতে ‘সমান মাঠে খেলতে পারে’ সেটা সুনিশ্চিত করার জন্য আবেদন করা হয় কমিশনের কাছে।

তৃণমূলের আবেদনে উঠে আসে সম্প্রতি ভূপতিনগরের ঘটনাও। রাতের বেলা দিয়ে দুই তৃণমূল কর্মী দুই বছর আগের একটি মামলার কারণে গ্রেফতার করার বিষয়টি নিয়ে কমিশনে নালিশ জানান তাঁরা। গতকালই, NIA প্রধান ধনরাম সিংয়ের সঙ্গে বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির বৈঠকের ব্যাপারে বেশ কিছু প্রামাণ্য নথি প্রকাশ করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেগুলি সমেত একটি ৬ পাতার চিঠি জমা দেওয়া হয় কমিশনের কাছে। বিষয়টি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেন বলেন, ‘এই কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকে বিজেপি তাঁদের খেলার পুতুল ভাবছেন, তাই এজেন্সিগুলোর প্রধানকে বদল করা হোক, আমরা এর দাবি জানিয়েছি।’

চিঠিতে বলা হয়, এনআইএ-তে বিজেপির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এনআইএ-এর মাধ্যমে তৃণমূলের কর্মকর্তাদের হেনস্থা করা হচ্ছে। এই ধরনের ঘটনায় অবিলম্বে হস্তক্ষেপ প্রয়োজন, নির্বাচন কমিশন এনআইএ-র নবনিযুক্ত প্রধান এবং এনআইএ-র মিঃ ধন রাম সিংকে বদলি করে দিক। নির্বাচনী আচরণ বিধি চালু থাকার সময় এই ধরনের এজেন্সিগুলোর কার্যপদ্ধতি নিয়ে একটি নির্দিষ্ট ফ্রেমওয়ার্ক দেওয়া হোক, কমিশনের কাছে আর্জি জানায় তৃণমূল কংগ্রেস।

ভূপতিনগর নিয়ে বাগ্‌যুদ্ধে মোদী-মমতা, সন্ত্রাসের লাইসেন্সের পাল্টা গ্যারান্টি-খোঁচা
পাশাপাশি, জলপাইগুড়ি সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে প্রায় ২০০০ বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি চালু থাকার কারণে তাঁদের সরকারের তরফে সরাসরি ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করার ব্যাপারে বিধিনিষেধ রয়েছে। তবে কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী যাতে প্রশাসনের তরফে যাতে তাঁদের সাহায্য করার বিষয়টি নিয়ে ছাড়পত্র দেওয়া হয়, সে ব্যাপারে আবেদন জানান তাঁরা।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *