অর্থাৎ, তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় স্তরে ইতিমধ্যে তিনটি প্রজন্মের নেতৃত্ব তৈরি রয়েছে। একটিতে, তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে যাঁরা লড়াই করে এসেছেন, একটিতে তৃণমূলের ক্ষমতায়নের সময় থেকে যাঁরা লড়াই করে যাচ্ছেন এবং অবশ্যই বর্তমানে যাঁরা দলের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন, আগামী দিনে লড়াই করার জন্য, এরকম ত্রি-স্তরীয় নেতৃত্ব তৈরি রয়েছে রাজ্যের শাসক দলের।
তাঁর কথায়, আমি একদিন হারিয়ে যাব পৃথিবী থেকে, সারা জীবন তো মানুষ বাঁচে না। কিন্তু, আমার স্বপ্ন আমার জোড়া ফুল চিহ্নটা থাকবে, আমার মা মাটি মানুষ স্লোগানটা থাকবে। সবাইকে নিয়েই আমায় চলতে হবে। যদিও, মাঝেমধ্যে দলের অভ্যন্তরে নবীন-প্রবীণ দ্বন্দ্ব নিয়ে নানা বিষয় সংবাদের শিরোনামে আসে। বিষয়টি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই সাক্ষাৎকারে জানান, ‘এটা আমাদের মধ্যে নেই, এটা কেউ কেউ করায়। বিজেপির লোকেদের কাজ হচ্ছে ঘর ভাঙো।’
তাঁর ব্যাখ্যা, একটি পরিবারে মা-বাবা, কাকা – জেঠা, কমবয়সী সকল প্রজন্মই থাকে। সব প্রজন্মকে নিয়েই এই দল আগামী দিনে চলবে বলেও জানান তিনি। দলে যেমন প্রবীণদের প্রাধান্য রয়েছে, তেমনই নবীনদের প্রাধান্য রয়েছে, সেই কারণে দেবাংশু ভট্টাচার্য, সায়নী ঘোষের মতো তরুণ নেতা-নেত্রীরা লোকসভা নির্বাচনের মতো বড় লড়াইয়ে ময়দানে নামার সুযোগ পেয়েছে, উদাহরণ তুলে ধরেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
