উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে জলপাইগুড়িতে ভোট পড়ে ৮৪.৮৪ শতাংশ। ২০১৯ সালে তা হয়েছে ৮৬.৪৪ শতাংশ। কোচবিহারে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৮২.৪৮ শতাংশ। ২০১৯ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে হয় ৮৩.৮৮ শতাংশ। এবার কি সেই সংখ্যা ছাপিয়ে যেতে পারে? উঠছে প্রশ্ন।
লোকসভা ভিত্তিক ভোটের পরিসংখ্যান বিকেল ৫টার ভিত্তিতে
লোকসভা কেন্দ্র | শতাংশের হারে ভোট |
আলিপুরদুয়ার | ৭৫.৫৪% |
জলপাইগুড়ি | ৭৯.৩৩% |
কোচবিহার | ৭৭.৭৩% |
বিধানসভা ভিত্তিক কত ভোট পড়েছে? বিকেল ৫টার ভিত্তিতে রইল পরিসংখ্যান
বিধানসভা | ভোটের হার |
আলিপুরদুয়ার | ৭৬.১৪% |
কোচবিহার দক্ষিণ | ৭৫.২৭% |
কোচবিহার উত্তর | ৭৭.৮৪% |
ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি | ৭৫.৫১% |
ধুপগুড়ি | ৮১.০১% |
দিনহাটা | ৭৪.১৫% |
মেখলিগঞ্জ | ৭৮.৫৬% |
ফালাকাটা | ৭৭.৩৫% |
জলপাইগুড়ি | ৮০.৩২% |
কালচিনি | ৭০.৫৬% |
কুমারগ্রাম | ৭৭.১২% |
মাদারিহাট | ৬৮.৬৭% |
মাল | ৭৬.৯৯% |
মাথাভাঙা | ৮১.৫৫% |
ময়নাগুড়ি | ৮২.০৪% |
নাগরাকাটা | ৭৪.৭৯% |
নাটাবাড়ি | ৮২.১০% |
রায়গঞ্জ | ৮১.৫৩% |
সিতাই | ৭৫.১৯% |
শীতলকুচি | ৭৮.৭৫% |
তুফানগঞ্জ | ৮১.১০% |
এর মধ্যে আলিপুরদুয়ারে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফ থেকে মোট অভিযোগ জমা পড়েছে ১৫০ টি। এর মধ্যে কোচবিহারে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফ থেকে মোট অভিযোগ জমা পড়েছে ২১৮টি। এর মধ্যে জলপাইগুড়িতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফ থেকে মোট অভিযোগ জমা পড়েছে ১০০টি। এই অভিযোগগুলি জমা হয়েছে মেল মারফত, , CMS মারফত, NGRS এছাড়াও বিভিন্ন মাধ্যম দিয়ে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে তা জমা পড়ে। প্রাথমিকভাবে জানা যাচ্ছে, এই অভিযোগগুলির বেশিরভাগটাই কোচবিহারে। যার সংখ্যা ২০১৮টি। পরের স্থানে রয়েছে আলিপুরদুয়ার।
CMS- এর মাধ্যমে যে অভিযোগ জমা পড়েছে তার মধ্যে তৃণমূলের অভিযোগের সংখ্যা – ১৭ টি, বিজেপির সংখ্যা – ১০ টি, সিপিআইএম এর সংখ্যা – ৫ টি, কংগ্রেস ২ টি। এই পরিসংখ্যান দুপুর ২টো পর্যন্ত পাওয়া গিয়েছে।
একনজরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ
>কোচবিহারে ৪৩ নম্বর বুথে, কুঠিবাড়ি দেওয়ানাবাস নিউ প্রাইমারি স্কুল বুথে দিজেন চন্দ্র দাস, BJP-র মণ্ডল সহ সভাপতি অভিযোগ করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস-এর পক্ষ থেকে বিজেপির কর্মকর্তাদের অপহরণ করা হচ্ছে। তাঁদের বাইক ভেঙে চুরমার করে দেওয়া হয়েছে। 1. বিজেপির ক্যাম্প ভেঙে দেওয়া হয়েছে, তাদেরকে ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না। এই বিষয়ে রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন।