অন্যদিকে, হরিদেবপুরের বাসিন্দা শ্রাবণী অধিকারী বলেন, ‘বৃহস্পতিবার রাত ৯টা থেকে সাড়ে দশটা পর্যন্ত বিদ্যুৎ ছিল না। আমরা সকলে দিশেহারা হয়ে পড়ি। বাড়িতে দিদির মেয়ে রয়েছে। বাবা মায়ের বয়স হয়েছে। সকলের অবস্থা গরমে রীতিমতো কাহিল।’
পূর্ব সিঁথির বাসিন্দা সায়ন্তন নস্কর বলেন, ‘আজ ভোরের দিকে বিদ্যুৎ চলে যায়। প্রায় এক ঘণ্টা মতো বিদ্যুৎ ছিল না। গরমে রীতিমতো নাজেহাল অবস্থা হয়েছে। অন্তত যতদিন এই ধরনের বিকট গরম থাকছে, ততদিন বিদ্যুৎ যাতে না যায় তা নিশ্চিত করার আবেদন জানাচ্ছি।’
সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার প্রায় ৪৫ মিনিট বিদ্যুৎ না থাকার কারণে বিস্তর সমস্যার মুখে পড়েন বেশ কিছু এলাকার বাসিন্দারা। রাত পৌনে দশটা নাগাদ সুভাষগ্রাম থেকে কসবা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ সংবহন সংস্থার লাইন ট্রিপ করার কারণে সমস্যা দেখা যায়। এর ফলে গড়িয়া, সোনারপুর, সল্টলেক এবং সিইএসসি এলাকায় সাউথ কলকাতা ও নর্থ কলকাতার কিছু অংশে বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিষেবা বিঘ্নিত হয়।
CESC-র তরফে দাবি করা হয়েছে, কসবায় ২২০ কেভি ট্রান্সমিশন সাব স্টেশনের একটি ট্রান্সফরমারে খুব বেশি তাপমাত্রার জন্য আগুন লেগে যায়। সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ এবং কলকাতার কিছু অংশ, কলকাতা পার্শ্ববর্তী গড়িয়া ও সোনারপুরের কিছু অংশে বিদ্যুৎ পরিষেবা বিঘ্নিত হয়েছিল। যদিও এরপর পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ করা হয় এবং পরিষেবা স্বাভাবিক হয়। উল্লেখ্য, দিন দিন গরম বাড়ছে। রীতিমতো নাজেহাল সাধারণ মানুষ। এখনই বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই বলে জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।
