স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ওই এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়। এরপরেই দুই দলের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ শুরু হয়। সংঘর্ষের মাঝেই ইটের অগাষ্ট পান সঞ্জীব দাস ওরফে পটলা। রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে সে। তাকে বিরোধী গোষ্ঠী হাতে পেয়ে বেধড়ক মারধর শুরু করে। তাকে রাস্তায় ফেলে কিল-চড়-ঘুষি মারা হয়। লাঠি দিয়ে তাঁকে পেটানো হয় বলেও পুলিশ সূত্রে খবর।
বিধাননগর ডিসি জানান, থানায় অভিযোগ পাওয়ার পরেই সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ শুরু করে। পুলিশের পিসি পার্টি ঘটনাস্থলেই ছিল। এর মাঝেই নতুন করে জমেলা লাগার পর সঞ্জীব আহত হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা হলেও তাঁকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো ঘটনার তদন্ত করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা অবশ্য দাবি করেছেন, ওই এলাকায় প্রায়শই দুই তৃণমূলের গোষ্ঠীর মধ্যে ঝামেলা-অশান্তি হয়। স্থানীয় কাউন্সিলর তথা বিধাননগর পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তীকে বিষয়টি জানানো হলেও কোনও সুরাহা হয়নি বলে স্থানীয়দের। সঞ্জীবের মৃত্যুর খব পাওয়ার পরেই এলাকায় বিক্ষোভ দেখা সাধারণ মানুষ। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর তথা বিধাননগর পুরসভার মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী বলেন, ‘ঘটনায় সঙ্গে সঙ্গে ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আইন আইনের পথে চলবে। পুলিশ সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’
স্থানীয়দের দাবি, গতকাল রাতে কাউন্সিলরকে জানানো হলেও তিনি সাড়া দেননি। দেবরাজ জানা, মধ্যরাতে তাঁর ফোন সাইলেন্ট থাকায় তিনি বিষয়টি জানতে পারেনি। এদিন, সকালে ঘটনাস্থলে যান দেবরাজ চক্রবতী।
