পুলিশ সূত্রে খবর, যে মৃতদেহটি উদ্ধার হয়েছে তাতে একাধিক পোড়া দাগ রয়েছে। সেই দাগগুলি অনেকদিনের পুরনো বলেও মনে করা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে কেউ বা কারা মধ্যরাতে, মৃতদেহটি বিগ্রেড প্যআরেড গ্রাউন্ডে ফেলে দিয়ে গিয়েছে বলেই প্রাথমিত তদন্তে অনুমাব পুলিশের। যে দেহটি ফেলে দিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেটি এক থেকে দু’দিন আগের বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। ঘটনার জেরে গোটা এলাকাজুড়ে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য।
বাবার হাতে ছেলে ‘খুন’
এদিকে বাবার ছুরির কোপে মৃত্যু হল পুত্রের। ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতার বেনিয়াপুকুরের ডিহি শ্রীরামপুর রোডে। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম রমেশ থাপা। নিহত ছেলের নাম রোশন থাপা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দেরি করে বাড়ি ফেরা নিয়ে বাবা রমেশের সঙ্গে বচসা বাঁধে ছেলে রোশনের। একসময় সেই বচসা হাতাহাতির পর্যায়ে পৌঁছয়। তখনই রমেশ ছুরি নিয়ে ছেলে রোশন উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন বলে অভিযোগ। এরপর রোশনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।
জানা গিয়েছে, রাত সাড়ে আটটা নাগাদ ঘটেছে ঘটনাটি। সেই সময় নেশাগ্রস্থ অবস্থায় ছিলেন রমেশ। এদিকে আবার ছেলে রোশন ডেনড্রাইটের নেশায় আসক্ত ছিলেন বলে স্থানীয়দের একাংশের দাবি। রোশন দেরি করে বাড়ি ফিরতেই ছেলের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন রমেশ। উত্তপ্ত বাদানুবাদের পর রমেশ ছুরি নিয়ে ছেলের বাঁ পায়ের ঊরুতে কোপ মারেন বলে অভিযোগ। শুরু হয় ব্যপক রক্তক্ষরণ। রাতের দিকে হাসাপতালে নিয়ে যাওয়া হয় রোশনকে। সেখানেই তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। ঘটনার পর থেকেই পলাতক অভিযুক্ত রমেশ। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্তের খোঁজে শুরু হয়েছে পুলিশি তল্লাশি।
